এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক প্রকাশিত: ০৮ মার্চ, ২০২৬, ০৭:০৩ এএম

"অজেয় বলে দাবি করা মার্কিন দম্ভ কি আজ মাটির সাথে মিশে গেল? মাত্র ৪টি ইরানি মিসাইলে যদি কোটি কোটি ডলারের আব্রাহাম লিংকন অচল হয়ে যায়, তবে ইসরায়েলের রক্ষাকর্তাদের শেষ আশ্রয় কোথায়? ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন কারণ আজ পর্দার পেছনের আসল সত্য ফাঁস হবে!"
"অতি দর্পে লঙ্কা দহ" — ঠিক এই প্রবাদটিই আজ বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে সত্য প্রমাণিত হলো। বছরের পর বছর ধরে আমেরিকা ও তাদের অবৈধ দোসর ইসরায়েল পুরো বিশ্বকে নিজেদের সামরিক শক্তির ভয় দেখিয়ে শাসন করতে চেয়েছিল। কিন্তু ইরানের বীর সেনানিরা দেখিয়ে দিয়েছে যে, ইমানি শক্তি আর দেশপ্রেমের সামনে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির দম্ভ কতটা ঠুনকো এবং হাস্যকর হতে পারে।
আজকের বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা তুলে ধরব কীভাবে আমেরিকার তথাকথিত 'অজেয়' রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এখন সমুদ্রের মাঝে এক অচল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মাত্র চারটি ব্যালেস্টিক মিসাইল দিয়ে ইরান প্রমাণ করেছে যে, তারা চাইলে মুহূর্তের মধ্যে পশ্চিমের সব ষড়যন্ত্র ধূলিসাৎ করে দিতে পারে। এই হামলায় মার্কিন নৌবাহিনীর গর্ব মাটির সাথে মিশে গেছে এবং তাদের দম্ভ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গিয়েছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের ছোঁড়া প্রতিটি মিসাইল নিখুঁতভাবে আব্রাহাম লিংকনের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আঘাত হেনেছে। রণতরীর ডেক বা রানওয়ে এখন পুরোপুরি বিধ্বস্ত, যার ফলে সেখান থেকে কোনো যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করা সম্ভব নয়। শুধু তাই নয়, ডেকের ওপর থাকা অন্তত ৬টি অত্যাধুনিক মার্কিন ফাইটার জেট এখন লোহার স্তূপে পরিণত হয়েছে। এটি কোনো সাধারণ আক্রমণ নয়, এটি একটি সাম্রাজ্যের পতনের ঘণ্টা।
সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে জাহাজটির মূল চালিকাশক্তি অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনে। ইরানের শক্তিশালী ব্যালেস্টিক মিসাইলের আঘাতে রণতরীর পারমাণবিক ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে, যার ফলে বিশাল এই জলদানব এখন মাঝসমুদ্রে মৃত লাশের মতো ভাসছে। আমেরিকার সামরিক বিশ্লেষকরা এই ক্ষয়ক্ষতির কথা শুনে হতবাক হয়ে গেছেন। তারা কল্পনাও করতে পারেনি যে ইরানের প্রযুক্তি আজ আমেরিকার ডিফেন্স সিস্টেমকে এভাবে ফাঁকি দেবে।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, এই সফল ইরানি অভিযানে অন্তত ৩ জন মার্কিন নাবিক নিহত হয়েছে এবং আরও বহু সৈন্য গুরুতর আহত। আমেরিকা তাদের পরাজয় ঢাকতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম করে দেখানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। বডি ব্যাগগুলো যখন মূল ভূখণ্ডে ফিরছে, তখন মার্কিন জনগণের মনে ত্রাসের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এখন বুঝতে পারছে যে অন্যের ওপর অন্যায় করার ফল কত ভয়াবহ হতে পারে।
ইরান কেবল চারটি মিসাইল ব্যবহার করেছে, এটি ছিল মাত্র প্রথম ধাপের সতর্কতা। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি ইরান তাদের ১৫ হাজার 'সোয়ার্ম বোট' বা ড্রোন বহর নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ শুরু করে, তবে পারস্য উপসাগরে কোনো মার্কিন জাহাজের অস্তিত্ব থাকবে না। হরমোজ প্রণালী এখন সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণে এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সেখানে প্রবেশের কোনো নৈতিক বা সামরিক সাহস এখন আর অবশিষ্ট নেই।
এই ঘটনাটি কেবল আমেরিকার জন্য নয়, বরং তাদের লেজুড়বৃত্তি করা ইসরায়েলের জন্যও একটি চরম সতর্কবার্তা। আমেরিকা যদি নিজেই নিজেকে রক্ষা করতে না পারে, তবে তারা ইসরায়েলকে কীভাবে রক্ষা করবে? ইরানের এই সাহসিকতা পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি গর্বের বিষয়। এটি প্রমাণ করে যে, সত্যের পথে থাকলে এবং সঠিক প্রস্তুতি থাকলে যে কোনো জালিম শক্তিকে পরাজিত করা সম্ভব।
মার্কিন প্রশাসন এখন তড়িঘড়ি করে ক্ষতিগ্রস্ত রণতরীটিকে নিকটস্থ বন্দরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে মেরামতের জন্য। কিন্তু ইঞ্জিনের যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। কোটি কোটি ডলার খরচ করে বানানো এই যুদ্ধজাহাজ এখন কেবল ইতিহাসের পাতায় আমেরিকার পরাজয়ের স্মারক হয়ে থাকবে। ইরানের এই বিজয় বিশ্ববাসীকে নতুন করে ভাবাতে শুরু করেছে যে কার হাতে আগামীর বিশ্ব নিরাপদ।
শেষে বলা যায়, আমেরিকার গুন্ডামির দিন শেষ হয়ে আসছে। ইরানের এই নিখুঁত অপারেশন প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল কথার ফুলঝুরি নয়, বরং কাজের মাধ্যমে জবাব দিতে জানে। ইসরায়েল ও আমেরিকার জোট এখন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় ব্যস্ত, আর ইরান বীরের বেশে বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। সত্যের জয় নিশ্চিত এবং মিথ্যার পতন অনিবার্য—আজকের এই ঘটনা তারই বাস্তব প্রমাণ।
আপনারা কী মনে করেন? ইরানের এই সাহসী পদক্ষেপ কি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক ভোরের সূচনা করবে? কমেন্টে আপনার মতামত জানান। ভিডিওটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন এবং সত্যের সাথে থাকতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।