এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ১১ মার্চ, ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

মিরপুরের স্লো উইকেটে এবার স্পিনারদের জন্য স্বর্গ রূপ ধারণ করল বাংলাদেশ, আর সেই সুযোগে রীতিমতো আগুন ঝরালেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। তার গতি ও বাউন্সে চোখে সর্ষে ফুল দেখেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগারা।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ৩০.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রান করতে পারে। এটি বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন স্কোর। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
বাংলাদেশের হয়ে ২৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করেছেন নাহিদ। নতুন বলে মিতব্যয়ী বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান, কিন্তু কেউই উইকেট এনে দিতে পারেননি। ফলে সপ্তম ওভারে স্পিন আক্রমণে যান অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। কিন্তু তাতেও উইকেটের দেখা মেলেনি।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে তাসকিনকে সরিয়ে নাহিদের হাতে বল দেন মিরাজ। এবং তাতেই আসে ব্রেকথ্রু। ওভারের শেষ বলে তাকে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।
পরবর্তী চার ওভারে নাহিদ ক্রমাগত উইকেট নেন। যথাক্রমে সাজঘরে ফেরান শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। এর ফলে পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে যায় এবং নাহিদ পূর্ণ করেন তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার।
১৯তম ওভারে নাহিদের সঙ্গে উইকেট পার্টিতে যোগ দেন মিরাজও। ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটনের গ্লাভসে ফেরান। এরপর হোসাইন তালাত ও শাহিন আফ্রিদিকেও সাজঘরে ফেরান মিরাজ।
দ্বিতীয় স্পেলে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ, ২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে প্রথম স্লিপে ধরা পড়েন মোহাম্মদ ওয়াসিম।
৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর পাকিস্তান একশর আগেই অলআউটের শঙ্কায় পড়ে। তবে ফাহিম আশরাফ একাই কিছুটা লড়াই করেন। আবরার আহমেদের সঙ্গে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ে ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে পাকিস্তান ১১৪ রানে অলআউট হয়।