ঢাকা, শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬ | ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

সাদাকাতের ঝড়েও শেষরক্ষা হয়নি, নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তান অলআউট ২৭৪—বাংলাদেশের সামনে ২৭৫ রানের লক্ষ্য


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ১৩ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম

সাদাকাতের ঝড়েও শেষরক্ষা হয়নি, নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তান অলআউট ২৭৪—বাংলাদেশের সামনে ২৭৫ রানের লক্ষ্য

মাজ সাদাকাতের ঝড়ো সূচনার পর মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগার জুটিতে বড় সংগ্রহের দিকেই এগোচ্ছিল পাকিস্তান। তবে ইনিংসের শেষদিকে বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে গতি হারায় সফরকারীরা।

শেষ পর্যন্ত সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রান তোলে পাকিস্তান। ফলে ম্যাচ জিততে হলে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২৭৫ রান।

মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে থাকেন পাকিস্তানের ওপেনার মাজ সাদাকাত। অন্য প্রান্তে তাকে ভালোভাবে সঙ্গ দেন সাহিবজাদা ফারহান।

মাত্র ৩১ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন সাদাকাত। দুই ওপেনারের ব্যাটে দ্রুত রান আসে এবং তাদের জুটিতে যোগ হয় ১০৩ রান।

ইনিংসের ১৩তম ওভারে সাদাকাতকে আউট করে এই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আউট হওয়ার আগে ৪৬ বলে ৭৫ রান করেন সাদাকাত। তার দারুণ ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও পাঁচটি ছক্কা।

এরপর ব্যাট করতে নামেন তরুণ তারকা শামিল হুসাইন। শুরুতে সাহিবজাদা ফারহানকে সঙ্গ দিয়ে দেখেশুনে খেলছিলেন তিনি। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ফারহান। আউট হওয়ার আগে ৪৬ বলে ৩১ রান করেন তিনি। কিছুক্ষণ পর সাজঘরের পথ ধরেন শামিলও। তিনি ২২ বলে ৬ রান করে আউট হন।

চতুর্থ উইকেটে দুর্দান্ত জুটি গড়ে তোলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। দুজন মিলে করেন ১০৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি, যা পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহের ভিত এনে দেয়।

তবে বিতর্কিত রান আউট হওয়ার আগে ৬৩ বলে ৬৪ রান করেন সালমান আলি আগা। তার ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও একটি ছক্কা। অন্যদিকে মোহাম্মদ রিজওয়ান করেন ৪৪ রান।

এই দুই ব্যাটার ফিরে যাওয়ার পর আর সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তানের বাকি ব্যাটাররা। শেষ ছয় ব্যাটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন ফাহিম আশরাফ। এছাড়া আব্দুল সামাদ ১১, হুসাইন তালাত ৯, শাহীন শাহ আফ্রিদি ৩, মোহাম্মদ ওয়াসিম ১ এবং হারিস রউফ ২ রান করেন।

বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার রিশাদ হোসেন, তিনি নেন তিনটি উইকেট। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি উইকেট পান। আর বাকি তিনটি উইকেট নেন অন্য তিন বোলার।