ঢাকা, সোমবার, মার্চ ১৬, ২০২৬ | ২ চৈত্র ১৪৩২
Logo
logo

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের তাণ্ডব! ইসরায়েলে ৩ হাজার ৩৬৯ জন আহত, কঠোর সেন্সরশিপ জারি


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ১৬ মার্চ, ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের তাণ্ডব! ইসরায়েলে ৩ হাজার ৩৬৯ জন আহত, কঠোর সেন্সরশিপ জারি

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের ভয়াবহতা দিন দিন বাড়ছে। ইরানের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েলে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩ হাজার ৩৬৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক এবং সামরিক বাহিনীর সদস্য উভয়ই রয়েছেন। তাদের অনেকেই এখনও হাসপাতালে ভর্তি।

সোমবার কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান এবং তার মিত্র গোষ্ঠীগুলো।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের তাণ্ডব এতটাই ব্যাপক যে তার ধ্বংসাবশেষ পড়ছে ইসরায়েলের শহরে শহরে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে গিয়ে তাদের ধ্বংসাবশেষ তেল আবিবের কাছে শোহাম, রিশন লেজিয়ন, লোদ এবং নেস জিওনা শহরে আঘাত হেনেছে। যদিও সেখানে বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

তবে ইরান ও হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের ঠিক কতটুকু ক্ষতি হচ্ছে, তা জানা যাচ্ছে না। কারণ ক্ষয়ক্ষতি সংক্রান্ত সব তথ্যের ওপর কঠোর সামরিক সেন্সরশিপ জারি করেছে ইসরায়েল। বিশেষ করে কৌশলগত ও সামরিক স্থাপনার ক্ষতির তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এখন উন্নত প্রযুক্তির দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে, যা ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হানতে সক্ষম। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোতে বিশেষ ওয়ারহেড ব্যবহার করা হয়, যা বিস্ফোরণের পর কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে এগুলো প্রতিহত করা যেমন কঠিন, তেমনি ক্ষয়ক্ষতির মাত্রাও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রের ঢেউ মোকাবিলা করতে হিমশিম খাচ্ছে ইসরায়েল। এই পরিস্থিতিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় আরও বেশি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।