এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম

ফুটবল বিশ্বের কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনা-এর মৃত্যু ঘিরে আবারও শুরু হলো নতুন বিচার প্রক্রিয়া। মঙ্গলবার থেকে এই বিচার কার্যক্রম শুরু হয়, যা আগেরবার এক বিচারককে ঘিরে বিতর্ক ও কেলেঙ্কারির কারণে থেমে গিয়েছিল।
২০২০ সালের নভেম্বরে ম্যারাডোনার মৃত্যু বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া ফেলেছিল। ব্রেইন সার্জারির পর নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। হাসপাতাল থেকে ফেরার কয়েক দিনের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই প্রশ্ন ওঠে—চিকিৎসকদের অবহেলাই কি তার মৃত্যুর কারণ?
সাত সদস্যের মেডিক্যাল টিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ
মৃত্যুর পর ডিয়েগো ম্যারাডোনা-এর সাত সদস্যের মেডিক্যাল টিমকে অভিযুক্ত করা হয়। তার চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক, নার্স এবং মনোবিদদের বিরুদ্ধে চিকিৎসাজনিত অবহেলার অভিযোগ আনা হয়।
তার সন্তানসহ একাধিক সাক্ষী দীর্ঘ সময় ধরে আদালতে সাক্ষ্য দেন। তবে আড়াই মাস পর বিচার কার্যক্রম মাঝপথে থেমে যায়।
আগের বিচার কেন থেমে গিয়েছিল
২০২৫ সালের মে মাসে আগের বিচার সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়। অভিযোগ ওঠে, এক বিচারক একটি ডকুমেন্টারিতে মামলাসংশ্লিষ্ট তথ্য নিয়ে অংশ নিয়েছিলেন, যা বিচারিক নীতির লঙ্ঘন।
এই ঘটনায় বিচারক জুলিয়েতা মাকিনতাখকে পরে পদচ্যুত করা হয়, এবং পুরো বিচার প্রক্রিয়া নতুন করে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন বিচারে ১২০ জন সাক্ষী
এবার নতুন করে শুরু হওয়া বিচার প্রক্রিয়ায় মোট ১২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। আদালত খতিয়ে দেখবে, ডিয়েগো ম্যারাডোনা-এর মৃত্যুর জন্য তার মেডিক্যাল টিম সত্যিই দায়ী কি না।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের ৮ থেকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।