ঢাকা, মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২৬ | ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
Logo
logo

ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ভয়াবহ স্বীকারোক্তি—যুক্তরাষ্ট্রের অপারেশনও ব্যর্থতার পথে!


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম

ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ভয়াবহ স্বীকারোক্তি—যুক্তরাষ্ট্রের অপারেশনও ব্যর্থতার পথে!

ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে—এমনটাই মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তার দাবি, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরানের বিরুদ্ধে চালানো “অপারেশন মিডনাইট হ্যামার” অভিযানের কারণে দেশটির ইউরেনিয়াম-সম্পর্কিত স্থাপনাগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর সেই কারণেই এখন ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার করা অনেক বেশি জটিল হয়ে উঠেছে।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “অপারেশন মিডনাইট হ্যামার চালানোর সময় ইরানের নিউক্লিয়ার ডাস্ট (ইউরেনিয়াম) সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছিল। তাই এখন যদি এগুলো খুঁজে বের করতে বা পুনরুদ্ধার করতে হয়, তাহলে দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।”

অন্যদিকে ২০২৫ সালের ৬ জুন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA) এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের কাছে প্রায় ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করা হয়েছে। সংস্থাটির মতে, যদি এই মাত্রা ৯০ শতাংশে উন্নীত হয়, তাহলে তা দিয়ে একাধিক পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব হতে পারে।

আইএইএ-এর ওই প্রতিবেদনের মাত্র ছয় দিন পর ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ইসরায়েল “অপারেশন রোয়ারিং লায়ন” শুরু করে। এরপর কয়েক দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রও “অপারেশন মিডনাইট হ্যামার” শুরু করে।

প্রায় ১২ দিন ধরে চলা এই দুই সামরিক অভিযানের ফলে ইরানের পরমাণু প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে দাবি করা হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের পরমাণু মজুতের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বা অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি বলেও জানা গেছে।

এরপর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী সময়ে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতার মূল লক্ষ্য হিসেবে ইরানের ইউরেনিয়াম হস্তগত করার বিষয়টি সামনে আসছে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।