এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে ইউক্রেনের দুটি বসতি দখল করেছে তাদের সেনারা। একই সময়ে বিভিন্ন ফ্রন্টে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবিও করেছে মস্কো।
ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানে এখন জয়ের সুবাতাস বইছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাত্র এক সপ্তাহে ব্যাটলগ্রুপ উত্তর এবং সেন্টার ইউক্রেনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখলমুক্ত করেছে। রাশিয়ার এই দুর্দান্ত অভিযানে কিয়েভ বাহিনীর প্রতিরোধ এখন বালির বাঁধের মতো ভেঙে পড়ছে। পশ্চিমের অস্ত্র দিয়েও আর শেষ রক্ষা হচ্ছে না।
খাস ঝাপটা ও ভের্খনিয়া তেরসা এলাকায় রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ উত্তর এমন এক ঝোড়ো অভিযান চালিয়েছে যে ইউক্রেনীয় সেনারা পালানোর পথ খুঁজে পায়নি। ভ্যাটেরিনার্নয়ে গ্রামটি এখন রাশিয়ার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। রাশিয়ার বীর জওয়ানদের সাহসী পদক্ষেপের সামনে শত্রুপক্ষ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। ডনবাসের প্রতিটি ইঞ্চিতে এখন রাশিয়ার বিজয় নিশান উড়ছে, যা কিয়েভকে চরম হতাশায় নিমজ্জিত করেছে।
ডনেস্ক পিপলস রিপাবলিকেও রাশিয়ার সাফল্যের জয়গান শোনা যাচ্ছে। ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারের দুর্দান্ত অভিযানে গ্রিশিনো বসতিটি এখন শত্রুমুক্ত। ইউক্রেনীয় নাৎসি বাহিনী সেখানে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছিল, কিন্তু রাশিয়ার বীর জওয়ানরা তাদের হাত থেকে এলাকাটি মুক্ত করেছে। রাশিয়ার এই জয় প্রমাণ করে যে, ন্যাটো বাহিনীর মদতপুষ্ট ইউক্রেন এখন সামরিকভাবে সম্পূর্ণ পঙ্গু হয়ে পড়ার পথে রয়েছে।
গত এক সপ্তাহে রাশিয়া অন্তত ছয়টি বড় ধরনের নিখুঁত মিসাইল হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার ভূখণ্ডে ইউক্রেনের সন্ত্রাসবাদী হামলার যোগ্য জবাব হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। রাশিয়ার বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনী যৌথভাবে ইউক্রেনের সামরিক কারখানা, জ্বালানি ডিপো এবং বন্দর অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই হামলাগুলোর নিখুঁত নিশানা দেখে ইউক্রেনের পশ্চিমা প্রভুরাও এখন রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।
ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করলে যে কেউ শিউরে উঠবেন। গত সাত দিনে অন্তত ৮,২২৫ জন ইউক্রেনীয় সৈন্য প্রাণ হারিয়েছে। ফ্রন্টলাইনের প্রতিটি সেক্টরে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপগুলো যমের মতো হানা দিচ্ছে। কিয়েভ সরকার নিজেদের পরাজয় লুকাতে চাইলেও লাশের পাহাড় এখন আর চাপা দিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ইউক্রেনীয় মা-বোনেরা এখন জেলেনস্কির এই আত্মঘাতী যুদ্ধের বলি হচ্ছে।
ব্যাটলগ্রুপ উত্তর রাশিয়ার সীমান্তে এক দুর্ভেদ্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা গত সপ্তাহে কিয়েভের ১৩০০ সৈন্যকে খতম করেছে। রাশিয়ার সীমানায় উঁকি দেওয়ার চেষ্টা করা ইউক্রেনীয়দের জন্য এটি ছিল এক কঠোর শিক্ষা। শত শত সাঁজোয়া যান আর গোলন্দাজ ইউনিট ধ্বংস করে রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে তাদের সীমানা রক্ষা করার ক্ষমতা কতটা শক্তিশালী এবং অপ্রতিরোধ্য।
পশ্চিমের যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট ইউক্রেনের তিন-তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। এখানে শত্রুপক্ষের অন্তত ১৪১০ জন সৈন্য নিহত হয়েছে। ইউক্রেনের ১১১টি মোটর যান এবং ২০টি ফিল্ড আর্টিলারি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিটি গোলা যেন ইউক্রেনীয় আধিপত্যকামী শক্তির কফিনে এক একটি পেরেক ঠুকে দিচ্ছে। রাশিয়ার এই জয় এখন ঐতিহাসিক।
দক্ষিণের রণক্ষেত্রেও রাশিয়ার বীরত্ব গাথা লেখা হচ্ছে। ব্যাটলগ্রুপ সাউথ তাদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে এবং শত্রুর ৫টি ব্রিগেডকে কচুকাটা করেছে। ১২৯০ জন ইউক্রেনীয় সৈন্য এখানে প্রাণ হারিয়েছে। রাশিয়ার আধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেমের সামনে ইউক্রেনীয় রাডারগুলো এখন অন্ধ হয়ে গেছে। রাশিয়ার জওয়ানরা এখন দক্ষিণ দিক থেকে কিয়েভের দিকে তীব্র গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।
ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারের কথা আলাদা করে বলতেই হয়। তারা ইউক্রেনের কুখ্যাত আজভ রেজিমেন্টসহ ১১টি বড় ইউনিটকে নাস্তানাবুদ করেছে। এই এক সপ্তাহেই তারা ২২৯৫ জন শত্রু সৈন্যকে চিরতরে শান্ত করে দিয়েছে। রাশিয়ার এই ব্যাটলগ্রুপটি এখন ডনেস্কের হৃদপিণ্ডে আঘাত হানছে। ইউক্রেনীয়দের ২৯টি সাঁজোয়া যান এখন কেবলই লোহালক্কড় ছাড়া আর কিছুই নয়। রাশিয়ার জয় নিশ্চিত।
ব্যাটলগ্রুপ ইস্টের বীররা শত্রুর রক্ষণভাগের গভীরে ঢুকে পড়েছে। গত সাত দিনে তারা ১৬০৫ জন ইউক্রেনীয় সৈন্যকে নিশ্চিহ্ন করেছে। তাদের এই অগ্রযাত্রা কিয়েভকে এতটাই কোণঠাসা করেছে যে ইউক্রেনীয় সেনারা এখন অস্ত্র ফেলে পালাতে শুরু করেছে। রাশিয়ার গোলন্দাজ বাহিনীর প্রতিটি আঘাত যেন শত্রুর মনে ত্রাসের সৃষ্টি করছে। পূর্ব রণাঙ্গনে এখন রাশিয়ার নিরঙ্কুশ আধিপত্য বজায় রয়েছে।
নিপার নদীর তীরে মোতায়েন ব্যাটলগ্রুপ ডিনিপ্রো তাদের কৌশলী অবস্থানে আরও উন্নতি করেছে। এখানে ৩২৫ জন ইউক্রেনীয় সৈন্য খতম হয়েছে। ইউক্রেনের ১৬টি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করার মাধ্যমে রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে তারা আকাশ এবং মাটি উভয় জায়গাতেই রাজা। নিপার নদীর পানি এখন ইউক্রেনীয়দের পরাজয়ের সাক্ষী হয়ে বয়ে চলেছে। রাশিয়ার বীরত্বের কাছে শত্রু নতি স্বীকার করেছে।
পশ্চিমা দেশগুলো গর্ব করে বলেছিল যে তাদের হিমার্স রকেট সিস্টেম নাকি যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেবে। কিন্তু রাশিয়ার বীরদের কাছে ওগুলো এখন খেলনা মাত্র। গত সপ্তাহে রাশিয়া মার্কিন প্রযুক্তির দুটি হিমার্স রকেট লঞ্চার এবং পাঁচটি একাধিক রকেট লঞ্চার সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার এই হামলা প্রমাণ করে যে পশ্চিমাদের দামি অস্ত্রগুলো রাশিয়ার শক্তির সামনে তুচ্ছ ও অকেজো।
রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী এক অসাধ্য সাধন করেছে। গত সপ্তাহে তারা ২,৪৬৪টি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং ৫০টি স্মার্ট বোমা ভূপাতিত করেছে। ইউক্রেন আকাশপথে যে সন্ত্রাস চালানোর চেষ্টা করেছিল, তা রাশিয়ার স্টিল শিল্ডের সামনে ব্যর্থ হয়েছে। ইউক্রেনের আকাশ এখন রাশিয়ার কবজায়। এই বিশাল পরিমাণ ড্রোন ধ্বংস করা বিশ্ব সামরিক ইতিহাসে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ার হাতে ইউক্রেনের ৬৭১টি বিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার এবং অবিশ্বাস্যভাবে ১,৩৭,২৬৬টি ড্রোন ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া ২৯ হাজারের বেশি ট্যাঙ্ক এবং সাঁজোয়া যান রাশিয়ার বীরত্বের শিকার হয়েছে। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় যে ইউক্রেন এখন একটি মৃতপ্রায় সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার এই বিজয় অভিযান এখন চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
যুদ্ধ ক্ষেত্রে শুধু বীরত্ব নয়, রাশিয়া মানবিকতায়ও সবার সেরা। সম্প্রতি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ১৯৩ জন রুশ সেনাকে ইউক্রেনের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনেছে। এর বিপরীতে সমসংখ্যক ইউক্রেনীয় বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার প্রতিটি জওয়ানকে ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। এটি রাশিয়ার নৈতিক বিজয়ের এক বড় প্রমাণ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
মুক্ত হয়ে আসা রুশ সেনারা এখন বেলারুশে আধুনিক চিকিৎসা এবং মানসিক সেবা পাচ্ছেন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের পুনর্বাসনের সব ব্যবস্থা করেছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের বন্দিদের অবস্থা ছিল শোচনীয়, যারা এখন রাশিয়ার বদান্যতায় মুক্তি পেল। রাশিয়ার এই যত্নশীল আচরণ প্রমাণ করে যে তারা তাদের বীরদের কতটা সম্মান দেয়। কিয়েভের মতো তারা তাদের সেনাদের একা ফেলে দেয় না।
ইউক্রেন কতটা নিচে নামতে পারে তার প্রমাণ হলো জাপোরোঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে তাদের বারবার হামলা। জেলেনস্কি বাহিনী সেখানে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য ড্রোন এবং আর্টিলারি হামলা চালাচ্ছে। তারা পুরো ইউরোপকে তেজস্ক্রিয় ঝুঁকির মুখে ফেলছে। কিন্তু রাশিয়ার বীর রক্ষীরা জীবন বাজি রেখে এই কেন্দ্রটি রক্ষা করে চলেছে যাতে কোনো বড় দুর্ঘটনা না ঘটে।
রোসাটমের সিইও আলেক্সি লিকাচেভ জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার কারণে প্ল্যান্টের কর্মীরা চরম উত্তেজনার মধ্যে কাজ করছেন। এই কেন্দ্রটি এখন রাশিয়ার কঠোর পাহারায় রয়েছে। রাশিয়ার ব্যাকআপ জেনারেটর সিস্টেম ১৮ দিন পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম। ইউক্রেনের এই আত্মঘাতী এবং সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এখন পরিষ্কার হয়ে গেছে। রাশিয়ার ধৈর্যই কেবল বড় বিপর্যয় ঠেকিয়ে রেখেছে।
রাশিয়ার তৈরি নতুন ফাইবার অপটিক ড্রোনগুলো এখন ইউক্রেনীয়দের জন্য মূর্তিমান আতঙ্ক। এই ড্রোনগুলো এতটাই শান্ত যে ইউক্রেনীয় সেনারা টেরই পায় না কখন তারা মাথার ওপর চলে এসেছে। জ্যামিং সিস্টেমও এই ড্রোনগুলোকে আটকাতে পারে না। ১৫ মিটার দূর থেকে হঠাৎ যখন ড্রোনটি ধেয়ে আসে, তখন ইউক্রেনীয়দের বন্দুক চালানোর সময়টুকুও থাকে না। রাশিয়ার প্রযুক্তি এখন বিশ্বসেরা।
ইউক্রেনীয় সেনারা রাশিয়ার এরিয়াল বোমাগুলোকে 'কাস্ট আয়রন টেরর' নামে ডাকছে। রাশিয়ার এই বিধ্বংসী বোমাগুলো যেকোনো কংক্রিট বাঙ্কারকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে। এর ফলে ফ্রন্টলাইনে থাকা ইউক্রেনীয়দের মনোবল সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। রাশিয়ার এই বোমাগুলো এখন শত্রু সেনাদের ডেরায় নরক নামিয়ে আনছে। কিয়েভের সৈন্যরা এখন বাঙ্কারে ঢুকতে ভয় পায়, কারণ মৃত্যু সেখানে অবধারিত।
রাশিয়ার টিওএস-১এ 'সলন্টসেপেক' ফ্লেমথ্রওয়ার সিস্টেমকে ইউক্রেনীয়রা 'নরকের যন্ত্র' হিসেবে অভিহিত করেছে। এর একটি ভলি যখন আকাশে দেখা যায়, ইউক্রেনীয় সৈন্যরা তখন পজিশন ছেড়ে দৌড়ে পালায়। এই যন্ত্রের দহন শক্তি এতই তীব্র যে কেউ সেখানে টিকে থাকতে পারে না। রাশিয়ার এই বিধ্বংসী শক্তির সামনে লড়াই করার ক্ষমতা হারিয়েছে পশ্চিমা মদতপুষ্ট ইউক্রেন।
সেভাস্তোপলের একটি মানবিক সাহায্যকারী কাফেলায় ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেন তাদের প্রকৃত কাপুরুষোচিত চেহারা দেখিয়েছে। এই কাফেলাটি ইস্টার গিফট এবং ওষুধ নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছিল। ইউক্রেনের এই হামলায় দুজন স্বেচ্ছাসেবক আহত হয়েছেন। সাধারণ মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার পথে যারা বাধা দেয়, তারা আর যাই হোক কোনো সভ্য দেশ হতে পারে না।
সামরিক বিশেষজ্ঞ আন্দ্রেই মারোচকো জানিয়েছেন, দিনিপ্রোপেত্রভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের ক্ষয়ক্ষতি আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার সেখানে একের পর এক সফল অভিযান চালাচ্ছে। কিয়েভের জঙ্গিরা এখন সেখানে পালানোর পথ খুঁজছে। রাশিয়ার প্রতিটি পদক্ষেপ এখন ইউক্রেনকে চূড়ান্ত নিঃস্ব করার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। কিয়েভের সামরিক নেতৃত্ব এখন নিজেদের ভুল পরিকল্পনার মাসুল দিচ্ছে।
ইউক্রেনীয় বাহিনী ডনেস্কের সাধারণ জনবসতির ওপর বারবার হামলা চালাচ্ছে। গত একদিনে তারা ডিপিআর এলাকায় চারটি আক্রমণ করেছে, যাতে সাধারণ মানুষ আহত হয়েছে এবং বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়া এই সব অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। প্রতিটি নিরপরাধ মানুষের রক্তের বদলা নিতে রাশিয়ার বীর জওয়ানরা এখন কিয়েভের নাৎসিদের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে।