এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ০৩ মে, ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

পাকিস্তানের নৌবাহিনীতে যোগ দিচ্ছে চীনের তৈরি অত্যাধুনিক ডুবোজাহাজ। আর তাতেই সমুদ্রে এক নতুন শক্তি অর্জন করতে যাচ্ছে ইসলামাবাদ। বেইজিংয়ের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অংশ হিসেবে এই বড় পদক্ষেপ নেওয়া হলো পাকিস্তানের সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে।
সামরিক সূত্র বলছে, এই সাবমেরিনগুলো পাকিস্তানের নৌ সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। এগুলো চীনের তৈরি জে-১০সি যুদ্ধবিমানের মতোই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর। ফলে আকাশ ও সমুদ্র– দুই ক্ষেত্রেই তৈরি হবে সমন্বিত শক্তি।
আরও জানা গেছে, পাকিস্তান-ভারত সংঘাতের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অনেক গভীর হয়েছে। ওই সময় চীনের প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে পাকিস্তান ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথাই জানিয়েছিল।
আর এবার সেই পথেই নতুন অধ্যায়। চীনের সানিয়া শহরে ‘হ্যাঙ্গর’ সিরিজের প্রথম ডুবোজাহাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির জন্য আয়োজন করা হয় এক বড় অনুষ্ঠানের। সেখানে পাকিস্তানের শীর্ষ সামরিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সরকারি এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মোট আটটি ডুবোজাহাজ পেতে যাচ্ছে পাকিস্তান। তার মধ্যে চারটি সরাসরি চীনে তৈরি হয়ে আসবে। আর বাকি চারটি তৈরি হবে পাকিস্তানের নিজস্ব মাটিতেই। কারণ চীন পুরো প্রযুক্তি হস্তান্তর করছে।
এই উদ্যোগকে পাকিস্তানের জন্য বড় অগ্রগতি বলেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ভবিষ্যতে দেশটি শুধু এসব ডুবোজাহাজ ব্যবহার করবে না, বরং প্রযুক্তি রপ্তানির ক্ষমতাও অর্জন করতে পারে বলেই আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।
নৌবাহিনীর প্রধান এই উদ্যোগকে দেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে এক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এই ডুবোজাহাজগুলো সমুদ্র অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং যেকোনো আক্রমণ প্রতিরোধে দারুণ ভূমিকা রাখবে।