ঢাকা, সোমবার, মে ৪, ২০২৬ | ২১ বৈশাখ ১৪৩৩
Logo
logo

পশ্চিমবঙ্গে ঝড় তুলছে বিজেপি! এগিয়ে ১৯২ আসনে, টালমাটাল তৃণমূল


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০৪ মে, ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম

পশ্চিমবঙ্গে ঝড় তুলছে বিজেপি! এগিয়ে ১৯২ আসনে, টালমাটাল তৃণমূল

পশ্চিমবঙ্গের ভোটগণনায় বড়সড় ব্যবধানে এগিয়ে গেরুয়া শিবির। ২৯৩ আসনের মধ্যে ১৯২টিতেই লিড নিয়েছে বিজেপি। আর তৃণমূল আটকে আছে মাত্র ৯৫ আসনে। বাকি ১টিতে এগিয়ে সিপিএম আর ৫টিতে অন্যান্য প্রার্থীরা।

প্রথমে খবরটা একটু পরিষ্কার করা যাক। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট আসন ২৯৪টি। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোট হয়। আজ সোমবার ছিল সব আসনের ফল ঘোষণার দিন। কিন্তু দক্ষিণ ২৪ পরগনার ‘ফলতা’ কেন্দ্রে নির্বাচনী অনিয়ম আর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভাঙার অভিযোগে ভোট বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে ওখানে নতুন করে ভোট হবে ২১ মে, আর গণনা ২৪ মে। তাই আজ ফলতা বাদে বাকি ২৯৩ আসনের ফল বেরোচ্ছে।

সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টায়) শুরু হয় গণনা। আগে পোস্টাল ব্যালট, তারপর ইভিএমের ভোট গোনা হচ্ছে। শুরুতে তেমন ব্যবধান না থাকলেও ধীরে ধীরে তৃণমূলকে পেছনে ফেলে দিয়েছে বিজেপি। এখন ব্যবধান প্রায় ১০০ আসন।

আজকের ফলেই ঠিক হয়ে যাবে, আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার চাবি কার হাতে থাকবে।

ভোট গণনা সুষ্ঠু করতে তিন স্তরের নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। সব দলের কাউন্টিং এজেন্টদের ঢুকতে অনুমতি পেতে ‘কিউআর কোড’ দেওয়া হয়েছে। মুঠোফোন নিয়ে ঢোকার সুযোগ নেই কাউকে, শুধু নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য ছাড়পত্র আছে।

চোখ রাখতে হবে ভবানীপুরে। সেখানে লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। এ ছাড়াও তৃণমূলের তারকাদের মধ্যে ফিরহাদ হাকিম (কলকাতা বন্দর), দেবাশীষ কুমার (রাসবিহারী), নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় (চৌরঙ্গী), কুণাল ঘোষ (বেলেঘাটা), শশী পাঁজা (শ্যামপুকুর) আর মধুপর্ণা ঠাকুরের (বাগদা) ফলাফলের দিকেও নজর থাকছে।

বিজেপির তারকা প্রার্থীদের মধ্যে রুদ্রনীল ঘোষ (শিবপুর), অগ্নিমিত্রা পাল (আসানসোল দক্ষিণ), অর্জুন সিং (নোয়াপাড়া), তরুণজ্যোতি তিওয়ারি (রাজারহাট-গোপালপুর) আর আর জি কর হাসপাতালে খুন হওয়া সেই চিকিৎসক ছাত্রীর মা রত্না দেবনাথের (পানিহাটি) ফল দেখার অপেক্ষায় সাধারণ ভোটাররা।

বাম আর কংগ্রেস আছে চেনা মুখ। বামদের বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, সায়নদীপ মিত্র। কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম ও আবদুর রাজ্জাক মোল্লা। আর আইএসএফ-এর নওশাদ সিদ্দিকী। সবার নজর এখন ফলাফলের দিকে।