ঢাকা, বুধবার, মে ৬, ২০২৬ | ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
Logo
logo

বড় খবর দিলেন ট্রাম্প! ইঙ্গিতে লাফ দিয়ে নেমে গেল তেলের দাম


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০৬ মে, ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম

বড় খবর দিলেন ট্রাম্প! ইঙ্গিতে লাফ দিয়ে নেমে গেল তেলের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যেন রোলারকোস্টার! যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির ইঙ্গিত দিতেই টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে তেলের দাম। স্বস্তির খবর বিশ্ববাসীর জন্য।

বুধবার (৬ মে) রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমেছে ব্যারেলপ্রতি ১.৬৯ ডলার বা ১.৫ শতাংশ। এখন দাম ১০৮.১৮ ডলার। তার আগের দিনই দাম কমেছিল ৪ শতাংশ। অপর দিকে আমেরিকার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম কমেছে ১.৬৭ ডলার বা ১.৬ শতাংশ। এখন দাম দাঁড়িয়েছে ১০০.৬০ ডলারে।

কিন্তু কেন এই দামপতন? গত মঙ্গলবার ট্রাম্প হঠাৎ জানান, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্তরাষ্ট্র যে অভিযান চালাচ্ছিল, তা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে। তিনি আরও জানান, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য একটা সমঝোতার দিকেই এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। ইরানের পক্ষ থেকেও তৎক্ষণাৎ কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমে আসার। তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে থাকা তেলবাহী জাহাজগুলো ধীরে ধীরে চলাচল শুরু করতে পারবে। বাড়বে তেলের সরবরাহ। তখন আরও কমতে পারে দাম।

তবে এখনো পুরো অনিশ্চয়তা কাটেনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভাব্য চুক্তি হলেও সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। কারণ ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকবে। এই অবরোধের কারণেই বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে গত সপ্তাহে ব্রেন্ট তেলের দাম ২০২২ সালের পর সবচেয়ে উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।

অন্যদিকে হরমুজের উত্তেজনায় বৈশ্বিক মজুতও কমে গেছে। শোধনাগারগুলো চাপের মুখে। তেলের উৎপাদন ঘাটতি পোষানো দায় হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে টানা তৃতীয় সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমেছে। ১ মে কমেছে প্রায় ৮১ লাখ ব্যারেল। পেট্রোলের মজুত কমেছে ৬১ লাখ ব্যারেল এবং অন্যান্য জ্বালানি তেলের মজুত কমেছে ৪৬ লাখ ব্যারেল।