ঢাকা, শুক্রবার, মে ৮, ২০২৬ | ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩
Logo
logo

 ৮-০ ব্যবধানে ভারতকে উড়িয়ে দিয়েছিলাম! পাকিস্তানের পুরনো স্মৃতি হাতড়ানো


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০৮ মে, ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

 ৮-০ ব্যবধানে ভারতকে উড়িয়ে দিয়েছিলাম! পাকিস্তানের পুরনো স্মৃতি হাতড়ানো

গত বছরের মে মাসে ভারতের সঙ্গে আকাশপথের লড়াইয়ে বড় সাফল্যের পুরনো স্মৃতি আবারও ভাঙাল পাকিস্তান। দেশটির বিমানবাহিনীর (পিএএফ) ডেপুটি চিফ অব এয়ার স্টাফ এয়ার ভাইস মার্শাল তারিক গাজী বুধবার জানিয়েছেন, ‘মারকা-ই-হক’ অভিযানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর (আইএএফ) বিরুদ্ধে তারা ‘৮-০’ ব্যবধানে জিতেছে। মানে, সেই লড়াইয়ে ভারতের অন্তত ৮টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছেন তিনি।

‘মারকা-ই-হক’ অভিযানের প্রথম বার্ষিকীতে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন গাজী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন্সের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এবং রিয়ার অ্যাডমিরাল শিফাত আলী খান।

প্রসঙ্গত, গত বছর মে মাসের ৬ ও ৭ তারিখে ভারত-পাকিস্তানের মাঝে উত্তেজনা চরমে ওঠে। ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাম শহরে পর্যটকদের ওপর হামলার জেরে পাকিস্তান সীমান্তে হামলা চালায় ভারত। ৮৭ ঘণ্টা স্থায়ী সেই সংঘাতে পাকিস্তানের দাবি, তারা ফরাসি রাফালসহ ভারতের ৮টি যুদ্ধবিমান ও কয়েক ডজন ড্রোন ভূপাতিত করে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১০ মে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এয়ার ভাইস মার্শাল গাজী বলেন, আজকের ব্রিফিংয়ের আসল উদ্দেশ্য ছিল সেই অভিযানের স্মৃতি মনে করিয়ে দেওয়া। এ সময় ভারতের নাম সরাসরি না নিয়েও তিনি ‘প্রতিপক্ষ’কে কটাক্ষ করে বলেন, “তারা বারবার নিজেদের বয়ান বদলাচ্ছে, কারণ আসলে সেদিন কী ঘটেছিল সেটা বুঝতেই তাদের কাঠিন্য হচ্ছে।”

গাজী আরও জানান, বিমানবাহিনী প্রধান জহির আহমেদ সিধু এই অভিযানের রণকৌশল প্রণয়ন করেন এবং নিজেও নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই পাকিস্তান বিমানবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় নজরদারি শুরু করে। শত্রুপক্ষের যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও নজর রাখা হচ্ছিল। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমব্যাট এয়ার পেট্রোল ও ২৪ ঘণ্টা আকাশপথে নজরদারি জারি ছিল।

আট-শূন্য স্কোরের ব্যাখ্যা দিয়ে গাজী বলেন, পাকিস্তান মোট ৮টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। সেগুলো হলো—৪টি রাফাল, ১টি সুখোই-৩০, ১টি মিগ-২৯, ১টি মিরাজ-২০০০ এবং ১টি অত্যন্ত ‘ব্যয়বহুল’ মাল্টি-রোল ড্রোন।

তিনি আরও দাবি করেন, ভারতের আরও বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান লড়াইয়ের সময় এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলো আর মেরামতের উপযোগী নেই। বিমানবাহিনীর ইতিহাসে এটিই প্রথম এমন অভিযান যেখানে বহুমুখী সম্পদের (মাল্টি-ডোমেইন অ্যাসেটস) সমন্বিত ও সফল ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেন এই পাকিস্তানি কর্মকর্তা।