ঢাকা, শনিবার, মে ৯, ২০২৬ | ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩
Logo
logo

চমক! রবীন্দ্রনাথের ‘স্ত্রীর পত্র’-এ মৃণালিনী হচ্ছেন সামিয়া অথই!


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০৮ মে, ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

চমক! রবীন্দ্রনাথের ‘স্ত্রীর পত্র’-এ মৃণালিনী হচ্ছেন সামিয়া অথই!

ছোট পর্দায় আবারও রবীন্দ্রনাথ! দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিয়া অথইকে। তিনি এবার কাজ করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী গল্প ‘স্ত্রীর পত্র’ অবলম্বনে বানানো একই নামের নাটকে। আর সেখানেই তিনি সেজেছেন মূল চরিত্র মৃণালিনী। নাটকটি তৈরি করেছেন অরুণ চৌধুরী।

সবচেয়ে বড় কথা, ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আজই প্রচার হবে নাটকটি। সময়টা দুপুর ৩টা ৫ মিনিট, আর চ্যানেল আইয়ে বসে পড়লেই দেখতে পাবেন এই বিশেষ নাটক।

মৃণালিনী চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে সামিয়া অথই বললেন, ‘রবীন্দ্রনাথের মতো কিংবদন্তি লেখকের অসাধারণ গল্পের প্রধান চরিত্রে কাজ করা যে কোনো অভিনেত্রীর জন্যই গর্বের। এটি আমার জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা। নির্মাতা অরুণ চৌধুরীর কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ। তাঁর সঙ্গে কাজের এই যাত্রা সবসময়ই আমার মনে থাকবে।’

নির্মাতা অরুণ চৌধুরী নিজেও রবীন্দ্রভক্ত। তিনি বললেন, ‘আমাকে সবসময়ই টানে রবীন্দ্রনাথের গল্প। আর ‘স্ত্রীর পত্র’ তো এখনো সময়োপযোগী। আমি চেষ্টা করেছি একটা সুন্দর নাটক বানানোর। অথই চমৎকার অভিনয় করেছে। বাকিরাও দারুণ কাজ করেছে।’

আচ্ছা, ‘স্ত্রীর পত্র’ গল্পটা আসলে কী? মূলত পুরুষশাসিত সমাজের বেড়াজাল ভেঙে নিজেকে আবিষ্কার করা এক নারীর গল্প। স্বাধীনতার পথে হাঁটা, নিজের অস্তিত্বের সন্ধান এবং প্রতিবাদ—এসব নিয়েই এই গল্প। পনেরো বছর সংসার করার পর এক চিঠিতে স্বামীকে সবটা জানিয়ে দেন মৃণালিনী। সেই চিঠিতেই তিনি জানান তাঁর নিপীড়িত জীবনের ব্যথা, প্রতিবাদ আর দাসত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার কথা।

গল্পে বিন্দু নামে এক অনাথ, অসহায় মেয়ের আত্মহত্যা মৃণালিনীকে চোখ খুলে দেয়। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, সংসারের চাপ ও শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে তিনি আসলে একজন বাঁধা পুতুল। তাই তিনি ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন— প্রতিবাদ করেন, নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলার শপথ নেন।

এই নাটকে বিন্দুর চরিত্রে দেখা যাবে শখকে। আর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন আরেফিন জিলানী, সূচনা শিকদার, তূর্য, নয়ন আরও অনেকে।