ঢাকা, শুক্রবার, মে ২৯, ২০২৬ | ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Logo
logo

কিয়েভ ছাড়ো এখনই! রাশিয়ার ওরেসনিক থাবা!


এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক    | প্রকাশিত:  ২৯ মে, ২০২৬, ০৩:২৯ এএম

কিয়েভ ছাড়ো এখনই! রাশিয়ার ওরেসনিক থাবা!

কিয়েভের মাটি আজ কাঁপছে রাশিয়ার ওরেসনিক মিসাইলের গর্জনে। ইউক্রেনের নব্য নাৎসি শাসক জেলেনস্কি যখন একের পর এক বেসামরিক নাগরিকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন ভ্লাদিমির পুতিন আর চুপ করে বসে থাকার পাত্র নন। Starobelsk-এর একটি কলেজের ছাত্রীবাস ভবনে ড্রোন হামলা চালিয়ে ২১ জন নিরপরাধ তরুণীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন প্রশাসনকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, এবার আর কোনো ছাড় নয়। কিয়েভের মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা ইউক্রেনীয় কমান্ডোদের গোপন বাঙ্কার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে রাশিয়া এখন থেকে নিয়মিত এবং ধারাবাহিক আক্রমণ চালাবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পর্যন্ত রাশিয়ার এই ন্যায়সঙ্গত ও যৌক্তিক প্রতিশোধের সামনে কিয়েভকে বাঁচানোর জন্য কোনো নিন্দা জানাতে সাহস পাননি। পশ্চিমা বিশ্ব এখন বুঝতে পেরেছে যে, রাশিয়ার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে এবং জেলেনস্কির পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। কীভাবে রাশিয়ার পরাক্রমশালী বাহিনী ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদীদের ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে, বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন।

ইউক্রেনীয় ড্রোন যখন রাশিয়ার Starobelsk শহরের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীবাস ভবনে আঘাত হানে, তখন বিশ্ববাসী জেলেনস্কি প্রশাসনের আসল এবং নৃশংস চেহারাটি আরও একবার দেখতে পায়। এই কাপুরুষোচিত এবং পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলায় ২১ জন নিষ্পাপ তরুণী নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৬০ জনেরও বেশি মানুষ। মস্কো এই ঘটনাকে যুদ্ধাপরাধ এবং একটি স্পষ্ট সন্ত্রাসী কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

কিয়েভের পশ্চিমা মদদদাতারা সবসময়ই ইউক্রেনের এই ধরনের জঘন্য অপরাধের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তাদের আড়াল করার চেষ্টা করে এবং একে সাধারণ প্রোপাগান্ডা বলে উড়িয়ে দেয়। তবে এবার রাশিয়ার ধৈর্য ও সহনশীলতার সীমা পুরোপুরি পার হয়ে গেছে এবং মস্কো কিয়েভের এই অন্যায় ও বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এক চুলও ছাড় না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে সরাসরি ফোন করে সতর্ক করেছেন যে, কিয়েভের সামরিক স্থাপনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে রাশিয়া এখন থেকে পদ্ধতিগত এবং ধারাবাহিক হামলা শুরু করবে। একই সঙ্গে লাভরভ কিয়েভে অবস্থানরত সমস্ত বিদেশি নাগরিক এবং কূটনৈতিক মিশনগুলোকে অতি দ্রুত রাজধানী শহর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ইউক্রেনের জাতিসংঘ দূত আন্দ্রে মেলনিক ৫০টিরও বেশি দেশের একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছেন, যেখানে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, জাপান এবং ইইউ সদস্যরা রাশিয়াকে কিয়েভে হামলার জন্য নিন্দা জানিয়েছে। আশ্চর্যজনকভাবে এই নিন্দাপ্রস্তাবের বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্বাক্ষর বা সম্পৃক্ততা ছিল না, যা পশ্চিমাদের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা এবং রাশিয়ার শক্তির ভীতিকে স্পষ্টভাবে আমাদের সামনে ফুটিয়ে তোলে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সরাসরি অভিযোগ বা কড়া মন্তব্য করতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি শুধু বলেছেন যে, কিয়েভ গত কয়েক বছর ধরেই একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক জায়গা এবং যুদ্ধ যখন চলে, তখন এই ধরনের পাল্টা এবং বিশাল আঘাত আসাটাই স্বাভাবিক নিয়ম।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান মার্কিন প্রশাসন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংকট নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করছে। গত মার্চ মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন যে, ওয়াশিংটন তাদের দনবাস অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দিচ্ছে, যা জেলেনস্কির জন্য একটি চরম অপমানজনক পরাজয়।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অবশ্য জেলেনস্কির এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং স্পষ্ট করেছেন যে, আমেরিকা রাশিয়ার হয়ে ওকালতি করছে না। আমেরিকা কেবল রাশিয়ার দৃঢ় এবং বাস্তবসম্মত অবস্থানটি ইউক্রেনের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে, যা প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাশিয়ার যৌক্তিক দাবিকে কেউ আর অগ্রাহ্য করতে পারছে না।

রণক্ষেত্রে ক্রমাগত পরাজয় এবং তীব্র সেনা সংকটের মুখে পড়ে ইউক্রেনীয় সামরিক প্রশাসন এখন এক নজিরবিহীন এবং হাস্যকর জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করছে। ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেল রুসলান ক্রাভচেঙ্কো নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তাদের দেশের ড্রাফট অফিসাররা সেনা নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য সরকারি ডেটাবেজে মৃত ব্যক্তি এবং বন্দিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় ৫ লাখেরও বেশি সেনা হারিয়েছে রণক্ষেত্রে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মিখাইল ফেদোরভও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে, প্রায় ২ লাখ সেনা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গেছে এবং ২ মিলিয়নেরও বেশি পুরুষ সেনা নিয়োগ এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

ইউক্রেনের নিয়োগ কেন্দ্রগুলোর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং ভুয়া পরিসংখ্যান তৈরি করতে মৃত, কারাবন্দি এবং সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত তরুণদের নাম জোরপূর্বক তালিকায় যুক্ত করছে। ট্রান্সকার্পাথিয়া অঞ্চলের মুকাচেভো শহরের স্থানীয় নিয়োগ কেন্দ্রের প্রধান এবং তার উপপ্রধান মিলে প্রায় ২৭০ জন মানুষকে এভাবে কাল্পনিকভাবে সেনা হিসেবে দেখিয়েছে।

ইউক্রেনের এই তথাকথিত সেনা সংহতি অভিযানটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য একটি মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছে, যেখানে রাস্তাঘাট থেকে সাধারণ পুরুষদের জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সামরিক কর্মকর্তারা টাকার বিনিময়ে ধনী ব্যবসায়ীদের কর্মচারীদের ছাড় দিচ্ছেন এবং অনেককে সীমান্ত পার করে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে বিপুল দুর্নীতি করছেন।

জাতিসংঘে রাশিয়ার দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, Starobelsk শহরের কলেজে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা ছিল মূলত ২০২২ সালের গণভোটে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দেওয়া লুহানস্কের জনগণের ওপর জেলেনস্কির একটি নির্মম এবং কাপুরুষোচিত প্রতিশোধের বহিঃপ্রকাশ। জেলেনস্কি নিজের সাবেক নাগরিকদের নব্য নাৎসি শাসনের অধীনে না থাকার অপরাধে হত্যা করছেন।

নেবেনজিয়া পশ্চিমাদের দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, যখন ইউক্রেনের কোনো শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন তা আন্তর্জাতিক কেলেঙ্কারিতে পরিণত করা হয়। কিন্তু যখন কিয়েভের পশ্চিমা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের আঘাতে রুশ শিশুরা মারা যায়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া এবং জাতিসংঘ সেই ট্র্যাজেডিকে বিভিন্ন অজুহাত ও প্রসঙ্গের আড়ালে সম্পূর্ণ চেপে যায়।

রাশিয়ার সিনিয়র সংসদ সদস্য আন্দ্রে কার্তাপোলভ ঘোষণা করেছেন যে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইউক্রেনের এই অব্যাহত সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রুশ সামরিক বাহিনী এখন তাদের রণকৌশল পরিবর্তন করেছে। রাশিয়া এখন থেকে ইউক্রেনীয় সামরিক কমান্ডার এবং গোয়েন্দা বিভাগের ব্যবহৃত মাটির নিচের অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং সুসজ্জিত বাঙ্কারগুলোকে প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্ধারণ করেছে।

কার্তাপোলভ আরও স্পষ্ট করেছেন যে, ইউক্রেনের সংসদ ভবন বা জেলেনস্কির কার্যালয় রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় নেই, কারণ জেলেনস্কি নিজেই এখন আর তার কার্যালয়ে বসেন না। আসল সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্র হলো সেইসব আন্ডারগ্রাউন্ড বাঙ্কার, যেখান থেকে ইউক্রেনীয় নিরাপত্তা বাহিনী এবং তাদের পশ্চিমা উপদেষ্টারা রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক হামলার পরিকল্পনা তৈরি করে।

রাশিয়ার এই কঠোর সতর্কবার্তার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন একে একটি অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তবে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বারবার পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তারা ইউক্রেনের সাধারণ বেসামরিক স্থাপনায় কখনো আঘাত করে না, বরং তাদের সমস্ত আক্রমণ শুধুমাত্র সামরিক এবং দ্বৈত-ব্যবহারের অবকাঠামো ও বাঙ্কারের ওপর সীমাবদ্ধ থাকে।

ইউক্রেনকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহের জন্য চেক প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বে যে আন্তর্জাতিক কোয়ালিশন গঠিত হয়েছিল, তা এখন চরম অর্থায়ন সংকট এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিরোধের মুখে পড়ে প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। চেক প্রেসিডেন্ট পেত্র পাভেল নিজেই স্বীকার করেছেন যে, এই উদ্যোগ থেকে ইতিমধ্যে নয়টি পশ্চিমা দেশ তাদের আর্থিক সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

২০২৪ সালে যখন এই উদ্যোগ শুরু হয়েছিল, তখন পশ্চিমা নির্মাতারা ইউক্রেনের গোলাবারুদের বিশাল চাহিদা মেটাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল, যেখানে রাশিয়া পশ্চিমাদের চেয়ে চার গুণ বেশি গতিতে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে গোলাবারুদ তৈরি করে আসছিল। চেক কোয়ালিশনটি শেষ পর্যন্ত তাদের লক্ষ্যমাত্রার এক-তৃতীয়াংশ অর্থও সংগ্রহ করতে পারেনি।

চেক প্রজাতন্ত্রের নতুন প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রে বাবিস ক্ষমতায় আসার পর এই গোলাবারুদ প্রকল্পের ওপর একটি বিশেষ অডিট পরিচালনা করেন এবং এই কর্মসূচিতে চেক ফান্ডের সমস্ত ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন যে, এই প্রকল্পে কোনো স্বচ্ছতা নেই এবং এটি মূলত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অজানা সুবিধাভোগীদের পকেটে পাচার করছে।

ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন কামানের গোলার তীব্র সংকটে ভুগছে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে তারা রাশিয়ার গোলন্দাজ বাহিনীর সামনে টিকে থাকতে পারছে না। রণক্ষেত্রে ইউক্রেনের এই শোচনীয় পরাজয়ের খবরের মধ্যেই কিয়েভের ইনফরমেশন অ্যান্ড সাইকোলজিক্যাল অপারেশন সেন্টার Zaporozhye পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার ভুয়া ও বানোয়াট গুজব ছড়াচ্ছে।

Energodar শহরের মেয়র মাক্সিম পুখভ ভিডিও বার্তায় এই ইউক্রেনীয় প্রোপাগান্ডাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং জনগণকে আশ্বস্ত করেছেন যে, রাশিয়ার বীর সেনারা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং তারা কোনো অবস্থাতেই শত্রুদের দিনিপ্রো নদী পার হতে দেবে না। তবে ইউক্রেনীয় বাহিনী এই শহরে প্রতিনিয়ত বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।

রুশ বন্দিশালা থেকে ফিরে আসা বীর সেনারা ইউক্রেনীয়দের অমানবিক ও নিষ্ঠুর নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। রাশিয়ার চিফ মিলিটারি প্রসিকিউটর অফিসের কর্মকর্তা আলেকজান্ডার বেলান জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের প্রিটায়াল ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে বন্দি রুশ সেনাদের ওপর আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে শারীরিক সহিংসতা এবং নিষিদ্ধ যুদ্ধপদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে।

রাশিয়ার তদন্ত কমিটি এ পর্যন্ত ইউক্রেনের পক্ষে লড়াই করা ১,০৮৬ জনেরও বেশি বিদেশি ভাড়াটে সেনার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি অভিযোগ এনেছে এবং ৯৫৫ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। তদন্তে জানা গেছে যে, ইউক্রেনের বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাস এই ভিয়েনা কনভেনশন লঙ্ঘন করে ভাড়াটে সেনা নিয়োগের কাজ পরিচালনা করছে।

রাশিয়ার উপ-জরুরি মন্ত্রী আলেক্সি কস্ত্রুবিটস্কি প্রকাশ করেছেন যে, ইউক্রেনীয় বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে রাশিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত বেসামরিক উদ্ধারকারী ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৩ জন বীর উদ্ধারকর্মী দায়িত্ব পালনকালে ইউক্রেনীয় ড্রোনের আঘাতে শহীদ হয়েছেন এবং ৩০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

রাশিয়ার তদন্ত কমিটির মুখপাত্র সভেতলানা পেত্রেনকো জানিয়েছেন যে, ২০১৪ সাল থেকে দনবাস অঞ্চলে ইউক্রেনীয় আগ্রাসনের কারণে ৭,৬০০ জনেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৪০ জন নিষ্পাপ শিশু রয়েছে। তবে রাশিয়ার বাহিনী এখন খোরকোভ এবং জাপোরোঝিয়া অঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা মুক্ত করে জেলেনস্কির নব্য নাৎসি বাহিনীকে চূড়ান্ত ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।