ঢাকা, মঙ্গলবার, মার্চ ৫, ২০২৪ | ২২ ফাল্গুন ১৪৩০
Logo
logo

রাস্তায় নোংরা ফেলায় জরিমানা আদায় শুরু করল কলকাতা পুরসভা


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ১২ নভেম্বর, ২০২২, ০২:১১ পিএম

রাস্তায় নোংরা ফেলায় জরিমানা আদায় শুরু করল কলকাতা পুরসভা

রাস্তায় নোংরা ফেলায় জরিমানা আদায় শুরু করল কলকাতা পুরসভা

রাস্তায় ময়লা ফেলায় জরিমানা আদায় শুরু করল কলকাতা পুরসভা। দক্ষিণ কলকাতার কসবায় এক ব্যবসায়ী, বালিগঞ্জে এক পথচারী এবং মধ্য কলকাতায় একটি বাজার সমিতিকে রাস্তায় ময়লা ফেলার দায়ে অভিযুক্ত করে জরিমানার রসিদ ধরিয়েছে পুরসভা (রাস্তায় নোংরা ফেলায় জরিমানা আদায় শুরু করল কলকাতা (Fine for Littering)। বহু বছর পর পুরসভা আবার এই ব্যাপারে নড়েচড়ে বসেছে।

হালে মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) নগরবাসীর উদ্দেশে রাস্তায় ময়লা না ফেলার আর্জি জানিয়ে জরিমানা (Fine) আদায়ের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। পুর আধিকারিকদেরও নির্দেশ দেন বন্ধ হয়ে যাওয়া এই ব্যবস্থা পুনরায় চালু করতে। কলকাতা (Kolkata) পুরসভার আইনে শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে জরিমানা আদায়ের বিধান রয়েছে। জরিমানার হার ধার্য করার ক্ষমতাও পুরসভাকে দেওয়া আছে।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তায় ময়লা ফেলা ব্যক্তিদের প্রথম অপরাধের জন্য ৫২৫ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে দিতে হবে ৭৩৫ টাকা। তৃতীয় এবং পরবর্তী প্রতিবারের ক্ষেত্রে জরিমানা হার হল ১০৫০ টাকা। প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে জরিমানার হার ময়লার পরিমাণ ও পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।

পুরসভার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নাগরিকদের সিংহভাগ। তাদের বক্তব্য, এই অভিযান আরও আগেই শুরু করা উচিৎ ছিল। ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়লে এমন পদক্ষেপের কথা ভাবা হয়। আসলে সারা বছর এমন অভিযান চলা উচিৎ। কারণ, যত্রতত্র ময়লা ফেলার অপরাধ মুষ্টিমেয় নাগরিক করে থাকেন। তাতেই শহরের পরিচ্ছন্নতা উধাও হয়ে যায়। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, জরিমানা আদায় শুরু হওয়ার পর বহু নাগরিক পুরসভাকে বলেছেন, শুধু আর্থিক জরিমানা নয়, রাস্তায় ময়লা ফেলা নাগরিককে হাতেনাতে ধরে তাঁকে দিয়েই নোংরা সরানোর কাজ করানো উচিৎ। একমাত্র তাহলেই যত্রতত্র নোংরা ফেলা বন্ধ হবে।

আবার অনেকে শহরে পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের অভাবের কথাও জানিয়েছেন। উন্নত শহরগুলিতে আড়াইশো মিটার পর পর ফুটপাথে, রাস্তার ধারে ডাস্টবিন রাখা থাকে। কলকাতার রাস্তায় তা নেই বললেই চলে।
 খবর দ্য ওয়ালের /এনবিএস/২০২২/একে