ইংল্যান্ড সফরে ভারতীয় দল নির্বাচকদের কুলদীপ যাদবকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল। তবে অধিনায়ক শুভমন গিল ও কোচ গৌতম গাম্ভীর দলের সামগ্রিক ভারসাম্যের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

সিরিজ শুরুর আগেই রোহিত-কোহলির অবসর এবং বুমরাহর ফিটনেস ইস্যু নিয়ে ভারতীয় দল চাপে ছিল। প্রথম টেস্টে তিন পেসার ও জাদেজাকে স্পিনার রেখে দল গঠন করায় কুলদীপের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এডগবাস্টন টেস্টে ওয়াশিংটন সুন্দরকে অন্তর্ভুক্ত করে দল নির্বাচকরা ব্যাটিং-বোলিং সমন্বয় করতে চেয়েছিলেন। সুন্দরের ১৪৪ রানের জুটি এবং স্টোকসের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট ভারতের জয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

লর্ডস টেস্টে সুন্দর দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট শিকার করেন। ম্যানচেস্টারে তার সেঞ্চুরি ম্যাচ ড্র করতে সাহায্য করে। এই পারফরম্যান্স প্রমাণ করে দল নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।

ইংল্যান্ডের পিচে তিন স্পিনার খেলানো বাস্তবসম্মত নয় বলেই মনে করেছিলেন গাম্ভীর-গিল। জাদেজা ও সুন্দরের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স এবং নিতিশ রেড্ডির মতো অলরাউন্ডারদের সুযোগ দিয়েই ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হয়েছিল।

যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় কুলদীপের সমর্থকরা অবিরাম চাপ দিচ্ছিলেন, দল পরিচালনা কমিটি জনমতের চেয়ে দলের প্রয়োজনকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। এই সিরিজ প্রমাণ করেছে, ভারসাম্যপূর্ণ দল গঠনই টেস্ট ক্রিকেটে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

 

news