দীর্ঘদিনের কানাঘুষা আর জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন কণ্ঠশিল্পী জেফার রহমান ও জনপ্রিয় উপস্থাপক রাফসান সাবাব। শোবিজ অঙ্গনে আলোচিত এই জুটির বিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আগামীকাল বুধবার। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন দুজনের ঘনিষ্ঠজনরা।
প্রায় এক বছর ধরেই জেফার রহমান ও রাফসান সাবাবকে ঘিরে প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। যদিও এ বিষয়ে তারা দুজনই সব সময় নীরব থেকেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা গণমাধ্যমে একে অপরকে বরাবরই ভালো বন্ধু হিসেবে তুলে ধরেছেন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতেও ছিলেন অনাগ্রহী। তবে সব জল্পনা-কল্পনার ইতি টেনে এবার আনুষ্ঠানিক পরিণয়ে পৌঁছাচ্ছে তাদের সম্পর্ক।
ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, ঢাকার আমিনবাজারের একটি রিসোর্টে আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। দুই পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি শোবিজ অঙ্গনের একাধিক কণ্ঠশিল্পী ও অভিনয়শিল্পীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে গত এক সপ্তাহ ধরেই জেফার ও রাফসানের ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে গেছে।
জেফার রহমান ও রাফসান সাবাবের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। সেই বন্ধুত্ব থেকেই ধীরে ধীরে একে অপরকে জানা, বোঝা এবং শেষ পর্যন্ত বিয়ের সিদ্ধান্তে পৌঁছান তারা।
প্রায় এক বছর আগে রাফসান সাবাবের সংসার ভাঙার খবর প্রকাশ্যে আসার পরই জেফার রহমানকে ঘিরে তার প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে দেশে ও দেশের বাইরে তাদের একসঙ্গে ঘুরতে দেখা যায়, যা আলোচনাকে আরও উসকে দেয়।
গেল বছরের মাঝামাঝিতে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে জেফার রহমান ও রাফসান সাবাবকে একসঙ্গে দেখা যায়। সিয়াম প্যারাগন শপিংমলের একটি রেস্তোরাঁয় তোলা তাদের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সম্পর্কের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। পরে এক সাক্ষাৎকারে রাফসানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জেফার জানান, এসব গুঞ্জন নিয়ে তাঁর কিছু বলার নেই।
সে সময় জেফার রহমান আরও বলেন, বিয়ে না করলেও মানুষ তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, বিয়ে ও সম্পর্ক নিয়ে নানা মন্তব্য করছে। তাঁর ভাষায়, “আমার বিয়ে-বাচ্চা সব নেটিজেনরাই ঠিক করে দিচ্ছে। এসব বিষয়ে আমার আর কিছু বলার নেই। তারা যা ইচ্ছা বলুক, ভাবুক। আমি ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কিছুই শেয়ার করতে পছন্দ করি না।”
সব জল্পনার পর অবশেষে সেই গুঞ্জনই বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। কাল জেফার রহমান ও রাফসান সাবাবের শুভ পরিণয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে তাদের জীবনের এক নতুন অধ্যায়।
