সিরিয়ার দামেস্কে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বিমান হামলা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ইসরায়েল দাবি করছে, সংখ্যালঘু দ্রুজ সম্প্রদায়কে রক্ষার জন্যই এই হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলছেন - এই হামলার পেছনে কি সত্যিই মানবিক কারণ নাকি অন্য কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কাজ করছে?

দ্রুজরা একটি অনন্য ধর্মীয় সম্প্রদায় যাদের বিশ্বাস ১১শ শতাব্দীর ফাতেমীয় খিলাফত থেকে উদ্ভূত। বর্তমানে তাদের প্রধান বসতি সিরিয়া, লেবানন এবং ইসরায়েলে। সিরিয়ার সুদাইদা প্রদেশে দ্রুজ ও বেদুইনদের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ জন নিহত হওয়ার পরই এই হামলা ঘটে।

ইসরায়েলের সাথে দ্রুজদের সম্পর্ক জটিল:

গোলান মালভূমির দ্রুজরা নিজেদের সিরিয়ান বলে দাবি করেন

ইসরায়েলের ১.৩ লক্ষ দ্রুজ নাগরিক সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে服役 করেন

ইসরায়েল দ্রুজদের সাথে "ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক" দাবি করে

সিরিয়ার নতুন সরকার দ্রুজদের অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানালে তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের হামলা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন:

এটি সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত

অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ানোর পাশাপাশি দ্রুজদের ব্যবহার করে ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা

দীর্ঘমেয়াদে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি

এই ঘটনা প্রমাণ করে, মধ্যপ্রাচ্যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রশ্নটি কতটা জটিলভাবে রাজনীতির সাথে জড়িত। দ্রুজ সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ এবং অঞ্চলের শান্তি এখন অনিশ্চিত।

news