গাজার অবরুদ্ধ এলাকায় চলছে যুদ্ধবিরতির চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায় নিয়ে মধ্যস্থতাকারীদের তৎপরতা। মঙ্গলবার  কাতার জানিয়েছে, তারা এই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে চুক্তিটা টিকিয়ে রাখা যায়।

দোহায় এক সংবাদ সম্মেলনে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেছেন, ইসরাইলের চুক্তি লঙ্ঘনের কারণে উদ্বেগ বেড়েছে, তাই যুদ্ধবিরতি ভেঙে না পড়ার জন্য তারা কাজ করছেন।

তিনি সতর্ক করে বলেছেন, “গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রতিটা লঙ্ঘন চুক্তির জন্য হুমকি। এটা চুক্তিকে দুর্বল করে। যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর, আমরা এর ওপর ভিত্তি করে কাজ করছি। এবং এটাকে দ্বিতীয় পর্যায়ের দিকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

ইসরাইল বলছে, তারা সব পণবন্দীর লাশ পাওয়া পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা শুরু করবে না। তাদের দাবি, দুই ইসরাইলি পণবন্দীর লাশ এখনো গাজায় আছে। অন্যদিকে হামাস বলছে, তারা ২০ জন জীবিত ইসরাইলি পণবন্দী আর ২৮ জনের লাশ হস্তান্তর করেছে।
ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনার অধীনে ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি হামলায় এখনো ৭০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত, যাদের অধিকাংশ নারী-শিশু। আরও ১ লাখ ৭১ হাজারেরও বেশি আহত।

চুক্তির আওতায় যেসব এলাকা ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে নেই, সেখানে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি চালিয়ে বারবার চুক্তি লঙ্ঘন করেছে তারা। অন্যদিকে হামাস চুক্তির শর্ত মেনে চলার পূর্ণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ইসরাইলকে মানতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আহ্বান জানিয়েছে।

 

news