আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বৈরুত/জেরুজালেম: এক ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে লেবাননের নাকোরায়। এখানে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত বৈঠকে এই প্রথমবার ইসরাইল এবং লেবাননের দুইজন বেসামরিক কূটনীতিক অংশগ্রহণ করবেন। সাধারণত এই ধরনের আলোচনায় কেবল সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নিতেন, তবে এবার ব্যতিক্রম হতে চলেছে।

প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব: ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’ থেকে জানা গেছে, ইসরাইলি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এনএসসি) উরি রেসনিক। অন্যদিকে, লেবাননের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত, অ্যাটর্নি সাইমন কারাম।

মার্কিন চাপ ও কৌশলগত স্বার্থ: জানা গেছে, লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন বিশেষ দূত মরগান ওর্টাগাস এবং বৈরুতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা এই পরিবর্তনের জন্য ইসরাইল ও লেবাননের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। তারা উভয় সরকারকে সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি বেসামরিক বা কূটনৈতিক কর্মীদেরও প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেন। মার্কিন কর্মকর্তারা উভয় দেশের সরকারকে বার্তা দেন যে, এই পদক্ষেপ তাদের 'কৌশলগত স্বার্থে' প্রয়োজন।

আলোচনার মূল লক্ষ্য: এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো আলোচনাকে আরও অর্থপূর্ণভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সামরিক পর্যায় থেকে আলোচনাকে কূটনৈতিক পর্যায়ে নিয়ে আসা অন্তত সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের দিকে একটি প্রথম পদক্ষেপের আভাস তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নেতানিয়াহুর অনুমোদন: ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই পদক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এনএসসির উপ-প্রধানকে লেবাননে আলোচনায় একজন কূটনৈতিক প্রতিনিধি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আরও জানিয়েছে, এটি ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং সহযোগিতার ভিত্তি তৈরির প্রথম প্রচেষ্টা।

 

news