স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার গাজা উপত্যকায় দফায় দফায় হামলা চালায় দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে একটি তাবু সংলগ্ন এলাকায় চালানো বিমান হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি হতাহত হন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে হামলার পর সেখান থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর মধ্যেই মিশর ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে গত অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। বৃহস্পতিবার কায়রোতে মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আব্দেলাত্তি ও ইইউর পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কায়া কালাসের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বদর আব্দেলাত্তি বলেন, এই ধাপ বাস্তবায়িত হলে ফিলিস্তিনিদের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে কায়া কালাস গাজায় পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ বলে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, হামাস নিরস্ত্রীকরণে রাজি না হওয়ায় শান্তি পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে ইসরাইল আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর কার্যক্রম সীমিত করায় গাজায় মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননজুড়ে অরাজনৈতিক সংগঠন, বিশেষ করে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণের প্রথম ধাপ শেষ হয়েছে। এই অগ্রগতিকে আশাব্যঞ্জক বলে স্বীকার করলেও, তা এখনও যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছে ইসরাইল।

ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, হিজবুল্লাহর এখনও দক্ষিণ লেবাননে ডজনখানেক কমপ্লেক্স ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রয়ে গেছে।

 

news