ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার আগে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলার কোনো পরিকল্পনা করছিল, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মার্কিন কংগ্রেসকে এ তথ্য জানিয়েছে পেন্টাগন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর প্রকাশ করেছে।
রয়টার্স জানায়, মার্কিন কংগ্রেসের জন্য আয়োজিত একটি ব্রিফিংয়ে পেন্টাগনের কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রক্সি বাহিনীগুলো মার্কিন স্বার্থের জন্য “আসন্ন হুমকি” ছিল, কিন্তু তেহরান আগে থেকে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার কোনো পরিকল্পনা করছিল— এমন কোনো গোয়েন্দা তথ্য তাদের কাছে ছিল না।
পেন্টাগনের এই তথ্য ট্রাম্প প্রশাসনের আগের দাবির ওপর বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন তুলেছে। এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, তেহরান মার্কিন বাহিনীর ওপর ‘প্রতিরোধমূলক’ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
শনিবার থেকে ইরানের ওপর শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা। মুহুর্মুহু ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ে তেহরানসহ ইরানের বড় শহরগুলোতে। পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরানও, ফলে পশ্চিম এশিয়া জুড়ে তৈরি হয়েছে যুদ্ধের আবহ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। রোববার সকালে তেহরান এই খবর নিশ্চিত করে। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার মৃত্যুর খবরে তেহরানে নেমে আসে শোকের ছায়া। বহু নারীকে দেখা যায় খামেনির ছবি হাতে রাস্তায় নামতে। ইরান জানিয়েছে, আপাতত প্রেসিডেন্টসহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব রয়েছে।
