মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় বিস্ফোরণ! লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন হিজবুল্লার গোয়েন্দা শাখার প্রধান হুসেইন মাকলেদ—এমনটাই দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী।
কী বলছে ইসরায়েল?
Israel Defense Forces (আইডিএফ) ২ মার্চ সোমবার এক বিবৃতিতে জানায়, লেবাননে তাদের বিমান হামলায় বিশ্বের বৃহত্তম সশস্ত্র মুসলিম রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর একটি Hezbollah-এর গোয়েন্দা শাখার প্রধান হুসেইন মাকলেদ নিহত হয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগের দিন রোববার রাতভর রাজধানী বৈরুতে অভিযান চালায় আইডিএফের বিমান বাহিনী। সেই অভিযানেই নিহত হন মাকলেদ।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই হামলা?
আইডিএফের ভাষ্য অনুযায়ী, মাকলেদ ছিলেন হিজবুল্লার একজন জ্যেষ্ঠ ও প্রভাবশালী নেতা। সংগঠনটির গোয়েন্দা বিভাগ ছিল তার নিয়ন্ত্রণে। তার মূল দায়িত্ব ছিল ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর ওপর গোপনে নজরদারি করা এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রাথমিক পরিকল্পনা তৈরি করা।
আইডিএফ দাবি করেছে, বৈরুতে তাদের বিমান বাহিনী পরিচালিত ‘নিখুঁত’ এক হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন।
বাড়ছে আঞ্চলিক উত্তেজনা
এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বৈরুতের মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে বিমান হামলা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও নজর তৈরি হয়েছে।
এখন প্রশ্ন—এই হামলার জবাবে কী পদক্ষেপ নেয় হিজবুল্লা, আর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়? মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামরিক সমীকরণে এই ঘটনা বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
