গত কয়েক দিনে একাধিক হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কুয়েতে নিজেদের দূতাবাস থেকে কর্মকর্তা ও কর্মীদের দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশ কুয়েত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। কুয়েতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি সেনাঘাঁটি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকেই কুয়েতের সেনাঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।
তবে ওয়াশিংটন থেকে দূতাবাস খালি করার নির্দেশ আসে ৪ ফেব্রুয়ারি, বুধবার কুয়েতের আকাশসীমায় ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত একটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার পর। কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানায়, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সহায়তায় ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। তবে পতিত ধ্বংসাবশেষের আঘাতে কয়েকটি গাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কুয়েতি সামরিক বাহিনীর এই বিবৃতি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দূতাবাস খালি করার নির্দেশ দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পদক্ষেপ কেবল কর্মকর্তা ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে না, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবও প্রতিফলিত করছে।
