সৌদি আরব ইরানের মুহুর্মুহু ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ‘ইরানি আগ্রাসন’ বলে উল্লেখ করেছে। গতকাল শুক্রবার সৌদির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান আল সৌদ পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ও প্রতিরক্ষা বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

বৈঠক শেষে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, “ইরানকে বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করে পরিস্থিতি অনুধাবন করতে হবে এবং বেহিসাবি হামলা এড়িয়ে চলতে হবে।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সৌদি ভূখণ্ডে ইরানি হামলার বিষয় নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বৈঠক পাকিস্তানের সঙ্গে ২০২৫ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।”

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব ও পাকিস্তান এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। পরে তুরস্কও যোগ দেয়। চুক্তির ধারা অনুযায়ী, কোনো স্বাক্ষরকারী দেশ যদি বাইরের কোনো শক্তির হামলার শিকার হয়, তাহলে সেই হামলাকে সব স্বাক্ষরকারী দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং যৌথভাবে প্রতিরোধ করা হবে।

ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠকের পর সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, “ইরান বেহিসাবি হামলা চালাচ্ছে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে। আমরা আশা করি ইরান যথাযথ বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। গতকালও ইরানি বাহিনী প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস এবং সৌদি তেলের খনি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। সৌদি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সেই হামলা ব্যর্থ করে দেয়।

 

Walton Ads