গত দশ দিনে ইরানের নিক্ষিপ্ত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ২ হাজার ৩৩৯ জন। এই আহতদের মধ্যে এখনও হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৯৫ জন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় গত চব্বিশ ঘণ্টায় ইসরায়েলে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে ১৯১ জনকে।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট একুশ দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলে। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি সেই আলোচনা কোনো ধরনের সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়।
এর পরের দিন, অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে “অপারেশন এপিক ফিউরি” নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইসরায়েলও ইরানে “অপারেশন রোয়ারিং লায়ন” নামে আরেকটি সামরিক অভিযান শুরু করে।
যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা নিহত হন।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত দশ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ।
