যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ১২ দিনে ইরানে ২৪,৫৩১টি বেসামরিক স্থাপনা সম্পূর্ণ বা আংশিক ধ্বংস হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা রেড ক্রিসেন্টের বরাত দিয়ে ইরানের সরকারি টেলিভিশন ইরনা এই তথ্য জানিয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বেসামরিক স্থাপনার মধ্যে বেশির ভাগই বাড়িঘর। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধ্বংস হওয়া ২৪,৫৩১ স্থাপনার মধ্যে:

বাড়িঘর ও অ্যাপার্টমেন্ট ভবন: ১৯,৭৭৫টি

দোকান-পাট, বাণিজ্য-অর্থনৈতিক কেন্দ্র: ৪,৫১১টি

স্কুল: ৬৯টি

রেড ক্রিসেন্ট কেন্দ্র: ১৬টি

উদ্ধার কাজে ব্যবহৃত যানবাহন: ২১টি

অ্যাম্বুলেন্স: ১৯টি

এছাড়া, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ১,২০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েক হাজার আহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিন ধরে সংলাপ চলেছিল। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো সমঝোতা ছাড়াই সেই সংলাপ শেষ হয়।

এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামের সামরিক অভিযান চালায়।

যুদ্ধের প্রথম দিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।

পাল্টা জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন সেনাঘাঁটি ও বেসামরিক স্থাপনায়। এই দেশগুলো হলো সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান।

 

news