তিনি হুঁশিয়ার করে বলেছেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে যদি এখন সহায়তা না করা হয়, তাহলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারে। মূলত ইউরোপীয় মিত্র ও ন্যাটো সদস্য দেশগুলোকে উদ্দেশ্য করেই তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোমবার ট্রাম্প বলেন, “যেসব দেশ হরমুজ প্রণালী ব্যবহারের সুবিধা পায়, তাদেরই উচিত এই প্রণালী নিরাপদ রাখতে এগিয়ে আসা। ইউরোপ ও চীন তো আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর তেলের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। কাজেই তাদেরই এগিয়ে আসা সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত হবে।”

ট্রাম্প আরও সতর্ক করে বলেন, “যদি তারা কোনো সহায়তা না করে এবং তাদের প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক হয়, তাহলে আমি মনে করি, ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য এটা খুবই খারাপ হবে।”

এর আগে গতকাল ট্রাম্প চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, তারা যেন হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের যুদ্ধজাহাজ পাঠায় এবং ইরানের সম্ভাব্য কোনো অবরোধ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথকে মুক্ত রাখে।

উল্লেখ্য, সংঘাত শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিজেদের জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে তাদের সেই প্রচেষ্টা এখনও পর্যন্ত তেমন ফলপ্রসূ হয়নি। এরই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বৈশ্বিক বাজারেও। সংঘাত শুরুর মাত্র দুই সপ্তাহ পার হতেই অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০৬ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

 

news