ইরানের কাছ থেকে তেল কিনলে কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে—এমন স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বুধবার এই সতর্কবার্তা দেন।

সেদিন হোয়াইট হাউস-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বেসেন্ট বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশকে জানিয়ে দিয়েছি—যদি কোনো দেশ ইরান থেকে তেল কেনে, কিংবা কোনো দেশের ব্যাংকে ইরানি মুদ্রার লেনদেন পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।”

এই বার্তাটি মূলত চীন-এর দিকেই ইঙ্গিত করে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ চীনই ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই যায় চীনে।

বেসেন্টও এই বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, ১২ এপ্রিল থেকে হরমুজ প্রণালি ও ইরানের বিভিন্ন বন্দরে অবরোধ জারি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। তার বিশ্বাস, এই অবরোধের ফলে চীন আপাতত ইরানি তেল কেনা থেকে বিরত থাকবে।

তিনি আরও জানান, চীনের দুটি বড় ব্যাংকের কাছে ইতোমধ্যে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি কোনোভাবে ইরানের অর্থ লেনদেন বা মুদ্রা ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সেই ব্যাংকগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে।

এরই মধ্যে নতুন করে ইরানের তেল খাতকে লক্ষ্য করে আরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের তেল পরিবহন অবকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট দুই ডজনের বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই নতুন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

news