পৃথিবীতে অশান্তি তৈরি করে পরে তা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা—এটাই কি এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর নতুন রাজনৈতিক কৌশল? বিশ্ব রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে তাঁর সাম্প্রতিক অবস্থান সেই বিতর্ককে আরও তীব্র করে তুলেছে।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, Iran অনির্দিষ্টকালের জন্য তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত করতে রাজি হয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক চাপ ও অবরোধ পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে কঠোর অবস্থান, অন্যদিকে আলোচনার আহ্বান—এই দ্বৈত কৌশলই ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যেই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অবস্থায় বড় শক্তিগুলোর প্রতিটি পদক্ষেপই বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করে।

তবে ট্রাম্পের সমর্থকদের দাবি, চাপ প্রয়োগের মাধ্যমেই তিনি প্রতিপক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনতে সক্ষম হচ্ছেন। অন্যদিকে সমালোচকরা মনে করেন, এই নীতির কারণে দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা আরও বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

সব মিলিয়ে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে—অশান্তি তৈরি করে পরে তা নিয়ন্ত্রণে আনার এই কৌশল আদৌ কতটা কার্যকর? নাকি এর মাধ্যমেই নতুন সংকটের জন্ম হচ্ছে?

এদিকে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ ট্রাম্প লেখেন, হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণভাবে খোলা এবং ব্যবসার জন্য প্রস্তুত’। তবে তিনি এটাও স্পষ্ট করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের লেনদেন শতভাগ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশটির বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ কার্যকর থাকবে।

 

news