ইরান যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে—এই ঘটনায় বড় ধরনের চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ৩ এপ্রিলের এই ঘটনার পর মার্কিন সেনাবাহিনী পাইলট ও ক্রুকে উদ্ধার করতে বিশেষ অভিযান চালায় বলে জানা গেছে।
রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার খবর জানার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক ঘণ্টা ধরে তার সহযোগীদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এই ঘটনা হোয়াইট হাউসের ভেতরেও চাপ ও অস্থিরতা তৈরি করে।
এছাড়া দাবি করা হয়েছে, পাইলট ও ক্রুকে উদ্ধারের সময় ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউসের ‘সিচুয়েশন রুম’-এ রাখা হয়নি। কারণ হিসেবে বলা হয়, তার অতিরিক্ত উত্তেজনা ও অধৈর্য আচরণ উদ্ধার অভিযানে প্রভাব ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কা ছিল।
অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পরপরই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারসহ অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়।
এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধবিরতির দিকে যেতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারাও বিস্ময় প্রকাশ করেন, এত দ্রুত কীভাবে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করতে সক্ষম হলো—এ নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে।
এ বিষয়ে ট্রাম্প নিজেও বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “শুধু ড্রোন ব্যবহার করে কীভাবে কেউ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করতে পারে”—এমন প্রশ্ন তিনি তুলেছেন বলে জানা গেছে।
