মার্কিন নৌবাহিনীর হাতে ইরানি জাহাজ আটক হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন। বেইজিং বলছে, এমন ঘটনা নতুন করে সংঘাত বাড়াতে পারে এবং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তাই উত্তেজনা না বাড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে চীন।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি বন্দরের ওপর নৌ অবরোধের বিষয়টিও কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছিল চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তখন তারা এই পদক্ষেপকে “দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিপজ্জনক” বলে আখ্যা দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ ধারণা করা হয়, ইরানের রপ্তানি করা তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই চীন ক্রয় করে থাকে। ফলে এই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের উত্তেজনা সরাসরি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানি জাহাজ আটকের ঘটনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পরিস্থিতি ধীরে ধীরে আরও বড় রাজনৈতিক টানাপোড়েনের দিকে গড়াতে পারে।
সব মিলিয়ে, চীনের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং বৈশ্বিক কূটনীতিতে নতুন করে অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
