যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজা উপত্যকায় সহিংসতা থামছে না। সাম্প্রতিক হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। একই সময়ে পশ্চিম তীরে আহত হয়েছে আরও এক কিশোর।

রোববার গাজার উত্তরাঞ্চলের দেইর আল বালাহ ও জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে হতাহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই একাধিকবার চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এতে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং হাজারো মানুষ আহত হয়েছেন।

এদিকে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস জানিয়েছে, পরবর্তী ধাপের আলোচনায় যেতে হলে প্রথম ধাপের সব শর্ত সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। তারা মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে গেলেও চুক্তির শর্ত বাস্তবায়ন না হওয়ায় অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের পর গাজা উপত্যকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অবকাঠামোর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে এবং মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোতে এখন পর্যন্ত ৭৭৩ জন নিহত এবং ২ হাজার ১৭১ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

news