যুদ্ধবিরতি থাকলেও গাজায় থামছে না ইসরায়েলি আগ্রাসন। নতুন করে দখলদার বাহিনীর হামলায় আবারও দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও চারজন। একই সময়ে পশ্চিম তীরে আহত হয়েছে আরও এক ফিলিস্তিনি কিশোর।
এদিকে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি আলোচনায় যেতে হলে প্রথম ধাপের সব শর্ত সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বাস্তবে পরিস্থিতি থামছে না। রোববার (১৯ এপ্রিল) গাজার উত্তরাঞ্চলের দেইর আল বালাহ ও জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল প্রায় ২৪০০ বার তা লঙ্ঘন করেছে। এসব ঘটনায় বহু মানুষ নিহত হয়েছেন এবং হাজারো মানুষ আহত হয়েছেন।
এই অবস্থার মধ্যেই হামাস জানিয়েছে, তারা মিশর ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিলেও ইসরায়েল বারবার চুক্তি ভঙ্গ করছে। সংগঠনটির অভিযোগ, সেনা প্রত্যাহার ও পুনর্গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলো মানা হচ্ছে না, যার কারণে পুরো যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর গাজায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। পুরো অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোতে এখন পর্যন্ত ৭৭৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২ হাজার ১৭১ জন আহত হয়েছেন।
