যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর দখলদার ইসরাইল ও লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যেও যুদ্ধবিরতির দাবি জোরালোভাবে উঠে আসে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।
তবে এই সিদ্ধান্তকে ইসরাইলের সাধারণ জনগণের একটি অংশ, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা মেনে নিতে পারেননি। কারণ হিজবুল্লাহর হামলার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছিল তাদের ওপর। তারা চাইছিল, হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি পরাজিত না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলুক। কিন্তু যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এবং নেতানিয়াহুর তা মেনে নেওয়ার পর তারা এটিকে “বিশ্বাসঘাতকতা” হিসেবে আখ্যা দেন।
ইসরাইলি সরকার আগে দাবি করেছিল, তারা হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করবে। কিন্তু নতুন করে যুদ্ধ শুরু করার পরও দেখা যায়, হিজবুল্লাহ দুর্বল না হয়ে বরং নিজেদের আরও সংগঠিত ও শক্তিশালী করেছে।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলো এখন জানাচ্ছে যে, লেবাননে যুদ্ধ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ইসরাইলি সেনাবাহিনী চরম সমস্যার মুখে পড়েছে। তারা কার্যত এক ধরনের চোরাবালিতে আটকে গেছে—যেখানে না তারা স্পষ্ট জয় পাচ্ছে, না পিছু হটতে পারছে।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। ৩০ এপ্রিল এই খবর প্রকাশের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।
 

news