ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক চাপ তৈরি করতে অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘ডার্ক ইগল’ নামের এই শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে তাদের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সামরিক কমান্ড। লক্ষ্য, ইরানের গভীরে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা।
তবে এই পরিকল্পনাকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ এই ধরনের অস্ত্র এখনো পুরোপুরি কার্যকর অবস্থায় নেই বলেই বিভিন্ন বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। অন্যদিকে ইরান তাদের প্রতিরক্ষা কৌশল পরিবর্তন করে এমন অবস্থানে গেছে, যেখানে প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সহজে আঘাত করা সম্ভব নয়।
এর আগে ফেব্রুয়ারির শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। কয়েক সপ্তাহ সংঘাত চলার পর এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। যদিও এরপর আলোচনা শুরু হলেও তা অচলাবস্থায় পড়ে যায়।
ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালি ও নিজেদের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তেহরান একটি প্রস্তাব দেয়, যেখানে যুদ্ধ বন্ধের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়। তবে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন অস্ত্র মোতায়েনের আলোচনা আসলে চাপ সৃষ্টি করার আরেকটি কৌশল। কিন্তু ইরান ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, যেকোনো আগ্রাসনের জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে। ফলে পুরো অঞ্চলে আবারও উত্তেজনা বাড়ছে।
