গাজামুখী ত্রাণবাহী নৌযান থামিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখালো ইসরাইল। আন্তর্জাতিক জলসীমায় অভিযান চালিয়ে শুধু মানবাধিকারকর্মীদেরই নয়, তিনজন সাংবাদিককেও আটক করা হয়েছে—যা বিশ্বব্যাপী তীব্র নিন্দার ঝড় তুলেছে।
ত্রাণ পৌঁছানোর মতো মানবিক উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করা শুধু রাজনৈতিক নয়, বরং এটি মানবতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান। বিশেষ করে সংবাদকর্মীদের আটক করা প্রমাণ করে, সত্য প্রকাশকে ভয় পায় দখলদার শক্তি। কারণ বাস্তবতা সামনে এলে তাদের মুখোশ খুলে যাবে।
এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—ফিলিস্তিনের জনগণের কণ্ঠরোধে সব সীমা অতিক্রম করছে ইসরাইল। আর এ ধরনের কর্মকাণ্ড বারবার ঘটলেও তথাকথিত শক্তিধর দেশগুলো, বিশেষ করে আমেরিকা, কার্যত নীরব থেকেছে। এই নীরবতাই দখলদারদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে।
ইরান বরাবরই ফিলিস্তিনের ন্যায্য অধিকার ও প্রতিরোধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এমন ঘটনার পর আবারও প্রমাণিত হলো—মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইরানের অবস্থান কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষ আজ প্রশ্ন তুলছে—মানবাধিকার কি শুধু কাগজে-কলমে, নাকি বাস্তবেও তার মূল্য আছে? যদি সত্যিই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হয়, তবে এই ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া এখন সময়ের দাবি।
