ক্রিকেটাররা খারাপ খেললেই একটি প্রশ্ন প্রায়ই শোনা যায়—সরকার কেন তাদের পেছনে এত টাকা খরচ করে? এই বিতর্কের সরাসরি জবাব দিলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ক্রিকেটাররা সরকার থেকে টাকা নেন না, বরং নিজেদের আয়ের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ট্যাক্স সরকারকে দেন।
আজ ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন,
“আমরা যে আয় করি, আমার মনে হয় সবচেয়ে বেশি ট্যাক্স আমরাই দিই। হ্যাঁ, আমরা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ট্যাক্স দিই। এর মানে হলো—আমরাই সরকারকে টাকা দিই।”
সরকার থেকে ক্রিকেটাররা টাকা পান—এমন ধারণা যে পুরোপুরি ভুল, সেটাও পরিষ্কার করে দেন ওয়ানডে অধিনায়ক। মিরাজের ভাষায়,
“অনেকের ধারণা সরকার থেকে আমাদের টাকা দেয়। বাস্তবতা হলো, সরকার থেকে আমরা কোনো টাকা পাই না। আমরা পুরোপুরি ক্রিকেট খেলেই আয় করি। এই বিষয়টা অনেক সময় পরিষ্কার করে বলা হয় না, তাই ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। সবারই এটা জানা উচিত।”
ক্রিকেটাররা ঠিক কোন উৎস থেকে অর্থ পান, সেটিও ব্যাখ্যা করেছেন মিরাজ। তিনি বলেন,
“অনেক সময় আমরা খারাপ খেললে বলা হয়—আপনারা তো আমাদের টাকায় চলেন, আমরা টাকা দিই বলেই আপনারা খেলেন। আসলে বিষয়টা এমন নয়। আমরা যে টাকা পাই, তার বেশির ভাগই আসে আইসিসি ও স্পন্সরদের কাছ থেকে। আর ক্রিকেট বোর্ডের যেসব আয় আছে, সেখান থেকেই আমাদের পারিশ্রমিক দেওয়া হয়।”
বিসিবির অর্থ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিরাজ আরও বলেন, বোর্ডের বর্তমান অর্থভান্ডারে দেশের সব প্রজন্মের ক্রিকেটারদের অবদান রয়েছে।
“ন্যাশনাল টিমের শুরুর সময় থেকে এখন পর্যন্ত যারা বাংলাদেশের জার্সি গায়ে খেলেছে, সবারই এতে অংশ আছে। প্রত্যেকটা মানুষের কষ্টের বিনিময়েই আজ ক্রিকেট বোর্ডের এই অবস্থান। তাই এখানে প্রত্যেকেরই হক আছে”—বলেছেন মিরাজ।
