বাংলাদেশের নির্বাচন শেষ হলেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে পাকিস্তান—এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার চেতন শর্মা। তাঁর মতে, পাকিস্তানের বর্তমান অবস্থান সাময়িক এবং পুরো বিষয়টি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই নেওয়া সিদ্ধান্ত।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা ছিল পাকিস্তানের। কিন্তু সেই ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয় পিসিবি। যদিও এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে এই বয়কটের কথা জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ভারতের একাধিক সাবেক ক্রিকেটার ও বিশ্লেষকের দাবি, শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে। সেই তালিকায় আছেন চেতন শর্মাও।

চেতন শর্মা বলেন,
‘বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের দোষটা কোথায়? একেবারেই নেই। এটা পুরোপুরি রাজনীতি। বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন আছে। এরপরই দেখবেন ইউটার্ন। তখন বলা হবে—“জনমতকে সম্মান জানিয়ে ক্রিকেটকে ক্ষতিগ্রস্ত করা ঠিক নয়, পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে খেলবে।” পুরো অবস্থানটাই আসলে বাংলাদেশের নির্বাচনকে ঘিরে। আমি নিজে রাজনীতি করেছি, নির্বাচনেও অংশ নিয়েছি। নির্বাচনের পর হয়তো সেনাপ্রধানও বলবেন, খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রাখা উচিত এবং ম্যাচ হওয়া দরকার।’

ভারতের হয়ে ২৩টি টেস্টে ৬১ উইকেট এবং ৬৫টি ওয়ানডেতে ৬৭ উইকেট নিয়েছেন ৬০ বছর বয়সী চেতন শর্মা। ১৯৮৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি, যা ছিল ওয়ানডে ক্রিকেটে কোনো ভারতীয় বোলারের প্রথম হ্যাটট্রিক।

চেতন শর্মার মতে, পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন দেশটির ক্রিকেটাররাই। তিনি বলেন,
‘এই মুহূর্তে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে কিছু জানায়নি। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এসব বক্তব্যের তেমন কোনো মূল্য নেই। যে কেউ অবসর ঘোষণা করতে পারে, কিন্তু অফিসিয়ালি জানানো না হলে কিছুই বদলায় না। এখানে আসলে কে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে? ক্রিকেট আর ক্রিকেটাররাই।’

 

news