বড় লক্ষ্য তাড়ায় ভালো শুরুর পরও শেষ পর্যন্ত হতাশাই সঙ্গী হলো বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের। ওপেনিং জুটি আশা জাগালেও মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে টাইগ্রেসরা। লোয়ার মিডল অর্ডারে একাই লড়াই চালিয়ে গেছেন স্বর্ণা আক্তার, তবে তার ফিফটি কেবলই হারের ব্যবধান কমাতে পেরেছে। ২৫ রানের জয়ে সিরিজে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে শ্রীলঙ্কা নারী দল।
সিলেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করে শ্রীলঙ্কা নারী দল। জবাবে বাংলাদেশ ২০ ওভারে ৭ উইকেটে করতে পারে ১৩৬ রান।
১৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় বাংলাদেশ। দিলারা আক্তার ছিলেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। তবে ১২ বলে ১৬ রান করে জুরাইয়া ফেরদৌস আউট হলে ভেঙে যায় ৩৯ রানের উদ্বোধনী জুটি।
এরপর থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে বাংলাদেশ।
তিন নম্বরে নেমে শারমিন আক্তার করেন মাত্র ৫ বলে ১ রান। আর অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ছিলেন আরও হতাশাজনক—দুই বল খেলে শূন্য রানে আউট হয়ে যান।
মিডল অর্ডারের ব্যর্থতা
দিলারা আক্তার কিছুটা আশা জাগালেও ১৪ বলে ২৩ রান করে ফিরে যান। এরপর ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
এই অবস্থায় স্বর্ণা আক্তার ও সোবহানা মুস্তারি জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। তবে রানের গতি ছিল খুবই ধীর, খেলেছেন অনেক ডট বল।
সোবহানা আউট হন ২৬ বলে ১৬ রান করে। তখনই ম্যাচ প্রায় হাতছাড়া হয়ে যায় বাংলাদেশের।
শেষদিকে একাই লড়াই চালিয়ে যান স্বর্ণা আক্তার। তিনি ফিফটি পূর্ণ করেন, খেলেন ৬০ রানের ইনিংস। তবে দলের জয় দূরে সরে যাওয়ায় তার ইনিংস কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।
শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৬ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ২৫ রানের জয়ে সিরিজে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।
