টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্তটা হয়তো বাংলাদেশের। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তকে কাজে লাগাতে পারেনি স্বাগতিকরা। বরং চট্টগ্রামের মাঠে পাওয়ার প্লেতেই যেন হিমশিম খেয়ে গেল লাল-সবুজের বোলাররা।

৬ ওভারে নিউজিল্যান্ড তুলে ফেলে ৬১ রান! আর বাংলাদেশ পায় মাত্র ১টি উইকেট।

এমন বৃষ্টি রানের শুরুতেই শুরু। প্রথম বলেই কেটিন ক্লার্ককে চার মেরে বসেন শরিফুল ইসলামের ওপর দিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টের দিকে। এরপর সেই ওভারের বাকি চার বলেই দুটো ওয়াইড দেন পেসার। চতুর্থ বলে আবার চার! প্রথম ওভারেই ১১ রান।

দ্বিতীয় ওভারে তানজিম হাসান সাকিবকে দেন বল হাতে। কিন্তু তিনিও পারেননি বাগড়া দিতে। তবে ভাগ্য খুলেছিল বাংলাদেশের। ক্লার্কের ভুলেই রান আউট হন টিম রবিনসন। তাওহীদ হৃদয়ের সরাসরি থ্রুতে বোল্ড হলো কিউই ওপেনারের ইনিংস। দ্বিতীয় বল আর খেলাই হলো না তার। তবে ওভারের শেষটা আবার চার মেরেই শেষ করেন ক্লিভার।

চতুর্থ ওভারে তানজিমকে যেন তছনছ করে দিলেন কিউই ব্যাটাররা! টানা চার আর ছক্কা হজম করে বসেন এই পেসার। ওই এক ওভারেই ১৪ রান।

আরেক উইকেট পেতে পারত বাংলাদেশ। পারভেজ হোসেন ইমনের থ্রো স্টাম্পে লাগলে রান আউট হওয়ার চান্স এসেছিল। কিন্তু হলো না।

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ক্লার্ক ও ক্লিভার একটি করে চার হাঁকান। ফলে ৬ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ৬১ রান। ক্লার্ক অপরাজিত ২৫, ক্লিভার ৩৩ রানে।

প্রসঙ্গত, বড় তারকাদের বিশ্রামে রেখেছে বাংলাদেশ। মুস্তাফিজ, তাসকিন, নাহিদ রানা নেই প্রথম দুই ম্যাচে। সুযোগ পেয়েছেন রিপন মন্ডল। ২০২৩ এশিয়ান গেমস খেলা এই পেসারের জন্য এটি বড় সুযোগ জাতীয় দলে জায়গা পাকা করার।

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম ল্যাথাম আছেন ইনজুরিতে। গতকাল নেটে ডান পায়ের পাতায় চোট পেয়ে তিনি ছিটকে যান। তার জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিক কেলি। মাত্র ষষ্ঠ টি-টোয়েন্টিতেই কাঁধে তুলে নিলেন অধিনায়কত্বের দায়িত্ব। আর সেই সঙ্গে এই ম্যাচে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয়েছে নাথান স্মিথ ও ম্যাথু ফিশারের।

তবে পাওয়ার প্লেতে এত রান বিলিয়ে দেওয়া কি বাংলাদেশকে চাপে ফেলবে? শেষ পর্যন্ত এই ম্যাচ জিততে পারবে স্বাগতিকরা? উত্তর মিলবে বাকি ওভার শেষেই।

 

news