রাশিয়ার হুঁশিয়ারি, ইউক্রেন সফরকারী জাহাজকে যুদ্ধের অংশ গণ্য হবে

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। ইউক্রেনের কৃষ্ণ সাগরীয় বন্দরে যাওয়া জাহাজগুলোকে সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্ত বলে গণ্য করা হবে। মস্কো শস্যচুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর কিয়েভ অস্থায়ীভাবে জাহাজ চলাচল রুট তৈরির কথা ঘোষণা দেয়। তারই প্রতিক্রিয়ায় মস্কো এ হুঁশিয়ারি জানিয়েছে।

বুধবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়,  তারা ইউক্রেন সফরকারী সব জাহাজকেই সম্ভাব্য সামরিক কার্গো বলে মনে করবে। এসব জাহাজে পতাকাবাহী দেশগুলোকেও যুদ্ধে ইউক্রেনের পক্ষ অবলম্বনকারী বলে মনে করা হবে। তবে ইউক্রেন সফরকারী জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে কি ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে সে বিষয়ে রুশ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে কোন কিছু বলা হয়নি।
এ ছাড়া রাশিয়া কৃষ্ণ সাগরের দক্ষিণপূর্বাঞ্চল ও উত্তরপূর্বাঞ্চলের আন্তর্জাতিক পানি সীমাকে সাময়িকভাবে অনিরাপদ অঞ্চল বলে ঘোষণা করেছে। তবে সাগরের কোন কোন অংশ অনিরাপদ সে ব্যাপারে বিস্তারিত জানায়নি মস্কো।

ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির জন্য কৃষ্ণ সাগর পাড়ের দেশ রোমানিয়া হয়ে একটি অস্থায়ী জাহাজ চলাচল রুট চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে। একজন ইউক্রেনীয় পদস্থ কর্মকর্তা বলেন, এর লক্ষ্য হচ্ছে, কৃষ্ণ সাগরের উত্তরপশ্চিম অংশ দিয়ে অবাধে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি করা। জাতিসংঘ শিপিং এজেন্সি ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনকে লেখা এক চিঠিতে তিনি একথা বলেন।

আল-জাজিরা সংবাদদাতা ইউলিয়া শাপোভালোভা মস্কো থেকে জানান, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ হুশিয়ারি ২০ জুলাই মধ্যরাত থেকে কৃষ্ণ সাগরে চলাচলকারী সব আন্তর্জাতিক জাহাজের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

 হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা বলেন যে, রাশিয়া কৃষ্ণ সাগরে বেসামরিক জাহাজের ওপর হামলা চালিয়ে তার দায় ইউক্রেনের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এরপরই বুধবার মস্কোর পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচলের এ হুঁশিয়ারি জানান হল।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, রাশিয়া খাদ্যশস্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

 এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads