ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১০ লাখ টন পানি সাগরে ফেলবে জাপান

জাপান মঙ্গলবার বলেছে, ২৪ আগস্ট ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১০ লাখ টনেরও বেশি তেজস্ক্রিয় পানি সাগরে ফেলা শুরু করবে জাপান।
 জাপানের এই পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছে চীন।

প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা মঙ্গলবার সকালে বলেছেন, ‘আমি টেপকোকে (টোকিও ইলেক্ট্রিক পাওয়ার কোম্পানি)  নিউক্লিয়ার রেগুলেশন অথরিটির অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী পানি নিষ্কাশনের জন্য দ্রুত প্রস্তুতি নিতে বলেছি এবং আশা করি ২৪ আগস্ট থেকে পানি নির্গমন শুরু হবে, আবহাওয়া তখন অনুকূলে থাকবে।’

জেলেদের সঙ্গে সমঝোতায় আসার একদিন পর সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জেলেরা বলেছে, জীবিকা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার একটা ভয় এখনো তাদের মধ্যে কাজ করছে।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশগুলোর আপত্তি সত্ত্বেও পরমাণু বর্জ্য মিশ্রিত এই পানি সমুদ্রে ছাড়তে চলেছে টোকিও। ২০১১ সালের ১১ মার্চ ভয়াবহ ভূমিকম্প এবং সুনামিতে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে ফুকুশিমায়। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির চারটি পারমাণবিক চুল্লি প্লাবিত হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

একই প্রতিবেদনে বলা হয়, ফুকুশিমা পারমাণবিক চুল্লি থেকে নিঃসৃত পানি এক যুগের বেশি সময় ধরে জমা রেখেছে জাপান কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি ওই পানি সাগরে ফেলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপর থেকেই চলছে বিতর্ক। যদিও জাপান সরকার বলছে, পরমাণু কেন্দ্রটি নিষ্ক্রিয় করার জন্যই পানিগুলো সাগরে ফেলা প্রয়োজন। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads