ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারে — এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, এবং এতে আন্তর্জাতিকভাবে বেশ উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ইরানে চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতায় এখন পর্যন্ত নিহতদের সংখ্যা ২,৫০০-এরও বেশি reported, যার মধ্যে শিশু ও সাধারণ মানুষও রয়েছেন।

সম্প্রতি কারাজ শহর থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ২৬ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী সোলতানি-কে দ্রুত বিচার ও মৃত্যুদণ্ডের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়েছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যদি ইরান এই ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নায়, তাহলে তারা “অত্যন্ত কঠোর প্রতিক্রিয়া” দেখাবে। তিনি গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভে বিপুল লোক নিহত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

মার্কিন প্রশাসন ইতোমধ্যেই ইরানে অবস্থানরত নিজ দেশের নাগরিকদের দ্রুত দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে, এবং কিছু পশ্চিমা দেশও একই ধরনের সতর্কবার্তা জারি করেছে।

মানবাধিকার গোষ্ঠী অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও নরওয়ে-ভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস বলেন, ইরান কর্তৃপক্ষ ভিন্নমত দমানোর জন্য “তড়িঘড়ি বিচার ও খামখেয়ালি ফাঁসি” প্রয়োগের প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছে বলে তারা আশঙ্কা করছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রথমবারের মতো কিছু প্রাণহানির তথ্য স্বীকার করে নিয়েছে এবং সরকারি পর্যায়ে বলেছে “অনেক মানুষ শহীদ হয়েছেন।”

ইরানি সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো মার্কিন মন্তব্যকে “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে আখ্যায়িত করেছে এবং বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই চাপ সফল হবে না।

news