হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, ওমান উপসাগরের দিকে যাওয়ার সময় মার্কিন নৌবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ডেস্ট্রয়ারগুলোর ওপর উসকানিবিহীন হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী। আর এর জবাবে ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে আত্মরক্ষামূলক হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।

শুক্রবার (০৮ মে) এক বিবৃতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নৌপথ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারকে লক্ষ্য করে ইরানি বাহিনী একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। তবে মার্কিন বাহিনীর দাবি, সব ধরনের হুমকি প্রতিহত করা হয়েছে এবং কোনো মার্কিন সামরিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

এরপর পাল্টা জবাবে ইরানের ওই সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়, যেখান থেকে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা পরিচালিত হয়েছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং গোয়েন্দা নজরদারির অবকাঠামো।

তবে ওয়াশিংটন দাবি করেছে, তারা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে চায় না। কিন্তু মার্কিন বাহিনী নিজেদের সুরক্ষায় পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

এরই মাঝে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, বন্দরনগর আব্বাসের কাছে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এসব বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট উৎস ও অবস্থান। কেবল আব্বাস নয়, রাজধানী তেহরানেও শোনা গেছে বিস্ফোরণের শব্দ।

সংস্থাটি আরও জানায়, ইরানি সশস্ত্র বাহিনী ও শত্রুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এমনকি পারস্য উপসাগরের বৃহত্তম দ্বীপ কেশমের একটি জেটির বাণিজ্যিক অংশ লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

 

news