অ্যাশেসের প্রথম টেস্টে ইনিংস হারতেই ইংল্যান্ড দলকে নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। সাবেক অস্ট্রেলিয়ান তারকা মিচেল জনসন তো প্রকাশ্যেই ইংল্যান্ডকে ‘অহঙ্কারী’ বলে কটাক্ষ করেন। তবে দ্বিতীয় টেস্টের আগে ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস জানিয়ে দিলেন—সমালোচনা তিনি মানতে রাজি, কিন্তু “অহঙ্কারী” তকমা একদমই নয়।
অস্ট্রেলিয়া পার্থে মাত্র দুই দিনেই টেস্ট জিতে সিরিজে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। বাঁহাতি পেসার মিচেল স্টার্ক ১০ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন; প্রথম ইনিংসে তাঁর ৭ উইকেটই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের দ্বিতীয় ইনিংসের ভাঙন সমালোচনার আগুনে ঘি ঢালে, আর জনসন সরাসরি তাদের ‘cocky’ ও ‘arrogant’ বলে আক্রমণ করেন।
“বাজে বললে মেনে নেব, অহঙ্কারী বললে নয়”—স্টোকসের পাল্টা জবাব
স্টোকস বলেন,
“আমাদের বাজে বলতে পারেন, সমালোচনা করতে পারেন—তাতে সমস্যা নেই। আমরা যেমন খেলতে চেয়েছিলাম, তা পারিনি। কিন্তু ‘অহঙ্কারী’ বলাটা একটু বেশি।”
তিনি যোগ করেন,
“আমরা কঠিন কথাও মেনে নেব। কিন্তু অহঙ্কারী—এটা ঠিক নয়। আমরা যা করেছি, তাতে অহঙ্কারের কিছু নেই।”
‘হ্যাজ-বিন’ মন্তব্য ছিল ভুল—স্টোকসের ব্যাখ্যা
প্রথম টেস্টের আগে স্টোকসের একটি মন্তব্য নিয়ে উত্তাপ ছড়ায়, যেখানে তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করে বলা হয়—তিনি সাবেক ইংলিশ তারকাদের ‘has-beens’ বলেছেন।
স্টোকস এবার পরিষ্কার করলেন—
“ওটা জিভ ফসকানো ছিল। আমি ভুল শব্দ ব্যবহার করেছি। আমি কাউকে অপমান করতে চাইনি।”
তিনি আরও বলেন,
“একদিন আমিও সাবেক খেলোয়াড় হবো। সেই শব্দটা ভীষণ খারাপ, আমি বলতে চাইনি। সবাই জানে এটা ভুলভাবে বেরিয়ে গিয়েছিল।”
দুই দিনে শেষ! অস্ট্রেলিয়ার দাপটে এগিয়ে সিরিজ লিড
পার্থে ২০৫ রান তাড়া করতে নেমে ট্র্যাভিস হেড ৬৯ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান। শেষ পর্যন্ত তিনি ১২৩ রান করেন। তাঁর সঙ্গে মারনাস লাবুশেন অপরাজিত ৫১ রান করেন। দুই দিনেই ম্যাচ শেষ করে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জয় তুলে নেয়।
এদিকে দ্বিতীয় টেস্টের প্রস্তুতির জন্য ইংল্যান্ড ব্রিসবেনে পৌঁছালেও বৃষ্টিতে অনুশীলন ব্যাহত হয়।
জ্যাকব বেথেল, জশ টাং ও ম্যাথিউ পটসকে পাঠানো হয়েছে ইংল্যান্ড লায়ন্সের পিঙ্ক–বল ম্যাচে।
মার্ক উড ঐচ্ছিক অনুশীলনে অংশ নেননি; বাম হাঁটুর ব্যথা বাড়ায় তিনি দ্বিতীয় টেস্ট মিস করতে পারেন।