স্পোর্টস ডেস্ক: বিপিএল মানেই বিতর্ক—বিশেষ করে ফিক্সিং ইস্যু নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। ফিক্সিং সন্দেহে কয়েকজন খেলোয়াড়কে নিলাম থেকে বাদ দিয়েছে বিসিবি, যা নিয়ে বড় আলোচনার জন্ম হয়েছে।
তবে এখানেই থেমে নেই দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। দ্বাদশ বিপিএলে ফিক্সিং একেবারে রুখে দিতে নতুন ও কঠোর উদ্যোগ নিচ্ছে বিসিবি। যেকোনো ধরনের ফিক্সিংচেষ্টাকে ঠেকাতে এবার প্রতিটি দলে থাকবেন দুইজন করে সিআইডি সদস্য।
বিপিএলের নিলাম শেষে বিসিবির সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেন জানান, এ ব্যাপারে সিআইডির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করা হবে।
তিনি বলেন, “খেলার ইন্টিগ্রিটির জন্য আমরা নতুন উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের ইন্টিগ্রিটি দল তো আছেই, পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডির সঙ্গে একটি এমওইউ করছি। প্রতিটি দলে সিআইডির দুইজন অফিসার থাকবেন—একজন ইউনিফর্মে, অন্যজন সাদাপোশাকে।”
সিআইডি যুক্ত করার কারণও ব্যাখ্যা করেন তিনি। সাখাওয়াত বলেন,
“সিআইডি দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট। তাদের কাছে আধুনিক সব প্রযুক্তি আছে। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন পর্যন্ত দেখতে সক্ষম তারা। সব ধরনের যন্ত্রপাতি তাদের কাছে রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এই উদ্যোগ শুধু ফিক্সিং রোধই নয়, বিসিবির স্বচ্ছতা দেখানোরও অংশ:
“আমরা সরকারের সঙ্গে কাজ করছি। খেলার প্রতি আমাদের আন্তরিকতার ঘাটতি নেই—এটাও সবাইকে বোঝাতে চাই।”