আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী ভারতকে চাপে ফেলে দিয়েছে বাংলাদেশ। আল ফাহাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ভর করে আজিজুল হাকিম তামিমের দল ভারতকে মাত্র ২৩৮ রানে অলআউট করেছে। জয়ের জন্য এখন ৪৯ ওভারে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৩৯ রান।

টস জিতে জাওয়াদ আবরার বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলাররা প্রমাণ করে দেন, সিদ্ধান্তটি ছিল একেবারেই সঠিক। প্রথম থেকেই ভারতকে চেপে ধরে টাইগার যুবারা। মাত্র ১১৯ রানেই ভারতের অর্ধেক ইনিংস শেষ হয়ে যায়। শেষ পাঁচ উইকেটে আবার সমান ১১৯ রান যোগ করে ভারত, শেষ পর্যন্ত গুটিয়ে যায় ২৩৮ রানে।

ইনিংসের শুরুতেই আগুন ঝরান আল ফাহাদ। ভারত অধিনায়ক আয়ুশ মাহাত্রেকে কালাম সিদ্দিকির হাতে ক্যাচ বানান তিনি। পরের বলেই ফেরান বেদান্ত ত্রিবেদীকে। মাত্র ১২ রানে দুই উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খায় ভারত।

এরপর একাই লড়াইয়ের চেষ্টা করেন বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ৩০ বলে ফিফটি করে বাংলাদেশ শিবিরে কিছুটা চিন্তা বাড়ান তিনি। তবে অধিনায়ক তামিম দারুণ বোলিং পরিবর্তনে ভারতকে আবার চাপে ফেলেন। ফিফটির পরের ৩৭ বলে মাত্র ২২ রান করতে পারেন বৈভব।

মাঝে অধিনায়ক তামিম নিজেই বিহান মালহোত্রার উইকেট তুলে নেন। পরে বৈভব যখন ইনিংস বড় করার চেষ্টা করছিলেন, তখন ইকবাল হোসেন ইমনের বলে কাউ কর্নার দিয়ে ছক্কা মারতে গিয়ে আল ফাহাদের হাতে ক্যাচ দেন। ৬৭ বলে ৭২ রান করে বিদায় নেন বৈভব।

এরপর দ্রুতই হরবংশ পাঙ্গালিয়াকে ফিরিয়ে দেন ইমন। ১১৯ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসে ভারত। পরে অভিজ্ঞান কুণ্ডু ও কনিষ্ক চৌহান ষষ্ঠ উইকেটে ৪৫ বলে ৫৪ রানের জুটি গড়ে কিছুটা লড়াইয়ে ফেরান ভারতকে।

এই জুটি ভাঙেন আবারও অধিনায়ক তামিম। এরপর বড় জুটি না হলেও ছোট ছোট কার্যকর জুটিতে ভারত লড়াকু পুঁজি গড়ে তোলে।

ইনিংসের ৩৯তম ওভারে চোট পেয়ে আল ফাহাদ মাঠ ছাড়েন চার বল করার পর। ওই ওভারে রিজান হোসেন একটি ক্যাচও ছাড়েন। পরে বৃষ্টির কারণে ৬৪ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে এবং ম্যাচের ওভার কমে যায়।

খেলা শুরুর পরই সপ্তম উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। আমব্রিশকে ফেরান শেখ পারভেজ জীবন। শুরুটা যেমন করেছিলেন আল ফাহাদ, শেষটাও করেন তিনিই। শেষ তিন উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে অলআউট করেন তিনি। এটি ছিল চলতি বিশ্বকাপে ও নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট।

 

Walton Ads