অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডকে একপ্রকার পাত্তাই দেয়নি ভারত। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একতরফা ম্যাচে ইংলিশ যুবারা কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি। আয়ুশ মাহাত্রের নেতৃত্বে দাপট দেখিয়ে শিরোপা ঘরে তোলে ভারত।
আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে বিশাল ৪১১ রান তোলে ভারত। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩১১ রানেই থেমে যায় ইংল্যান্ড। ফলে ১০০ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় ভারত।
ভারতের ইনিংস শুরুতেই ধাক্কা খায়। তবে অন্য প্রান্তে ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী ইংল্যান্ডের বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালান। একের পর এক ছক্কা ও বাউন্ডারিতে ম্যাচের রং বদলে দেন তিনি। মাত্র ৫৫ বলে সেঞ্চুরি করে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ফাইনালের ইতিহাসে দ্রুততম শতকের রেকর্ড গড়েন সূর্যবংশী—ডেইলি ক্রিকেট।
ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনাও ছিল তার সামনে। কিন্তু ৮০ বলে ১৭৫ রানে থামেন এই ব্যাটার। ইনিংসটিতে সমান ১৫টি করে ছক্কা ও বাউন্ডারি মারেন তিনি।
অধিনায়ক আয়ুশ মাহাত্রেও ফিফটির দেখা পান। ৫১ বলে ৫৩ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি। শেষদিকে কানিষ্ক চৌহান ২০ বলে অপরাজিত ৩৭ রান যোগ করে দলকে আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেন।
ইংল্যান্ডের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে খরুচে ছিলেন জেমস মিন্টো—৮ ওভারে দেন ৬৩ রান। সেবাস্তিয়ান মরগান ও অ্যালেক্স গ্রীন নেন দুটি করে উইকেট।
৪১১ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের প্রথম পাঁচ ব্যাটারই ভালো শুরু করেছিলেন। কিন্তু এমন বিশাল রান তাড়া করতে যে ধরনের ব্যাটিং দরকার, তা কেউই ধরে রাখতে পারেননি। বেন ডকিন্স ৫৬ বলে ৭ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় করেন ৬৬ রান। বেন মায়েসের ব্যাট থেকে আসে ২৮ বলে ৪৫ রান।
থমাস রিউ আক্রমণাত্মক শুরু করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তিনি করেন ১৮ বলে ৩১ রান। শেষদিকে কালেব ফ্যালকনার লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। ৬৭ বলে ৯ বাউন্ডারি ও ৭ ছক্কায় ১১৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেললেও অন্য ব্যাটারদের সহযোগিতা না পাওয়ায় দলের হার এড়ানো সম্ভব হয়নি। ভারতের হয়ে ৩টি উইকেট নেন আরএস অব্রিশ।
