অবিশ্বাস্য এক ইনিংস খেলেই বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে পরাজয়ের মুখ থেকে পাকিস্তানকে টেনে তুললেন ফাহিম আশরাফ। শেষ দুই ওভারে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করল পাকিস্তান।

শেষ ২ ওভারে পাকিস্তানের জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৯ রান, হাতে ছিল মাত্র ৩ উইকেট। তখন অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, বড় অঘটনের পথে হাঁটছে পাকিস্তান। কিন্তু ভিন্ন পরিকল্পনা ছিল ফাহিম আশরাফের। ডাচ বোলার ভ্যান বিকের এক ওভার থেকেই তুলে নেন ২৪ রান। সেখানেই বদলে যায় ম্যাচের মোড়। শেষ পর্যন্ত স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে নেদারল্যান্ডস তোলে ১৪৭ রান। জবাবে পাকিস্তান ৩ উইকেট ও ৩ বল হাতে রেখে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে।

ম্যাচে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগা। শুরুটা ভালোই করে নেদারল্যান্ডস। প্রথম তিন ওভারে তারা তোলে ২৮ রান। তবে ৭ বলে ৫ রান করা ম্যাক্স ও’ডাউডকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে প্রথম সাফল্য এনে দেন সালমান মির্জা। — ডেইলি ক্রিকেট

আরেক ওপেনার মাইকেল লিভিট করেন ১৫ বলে ২৪ রান। ডাচদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। তার ২৯ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি বাউন্ডারি ও ১টি ছক্কা। এছাড়া বাস ডি লিডি করেন ২৫ বলে ৩০ রান।

পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সালমান মির্জা ছিলেন সবচেয়ে সফল। ৩.৫ ওভারে ২৪ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। দুটি করে উইকেট পান মোহাম্মদ নেওয়াজ, আবরার আহমেদ ও সাইম আইয়ুব।

১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানকে ঝড়ো শুরু এনে দেন সাইম আইয়ুব। ১৩ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় করেন ২৪ রান। অন্য ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান খেলেন দুর্দান্ত ইনিংস। ফিফটি থেকে অল্পের জন্য বঞ্চিত হয়ে ৩১ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় করেন ৪৭ রান।

এরপর সালমান আলী আগা ও বাবর আজম শুরুটা ভালো করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। উসমান খান ডাক মেরে বিপদ বাড়ান। শাদাব খান ও মোহাম্মদ নেওয়াজও ব্যর্থ হন। তখনই ম্যাচের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন ফাহিম আশরাফ।

শেষ দিকে মাত্র ১১ বলে ২ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ২৯ রান করে ম্যাচ ছিনিয়ে নেন এই অলরাউন্ডার।

নেদারল্যান্ডসের হয়ে আরিয়ান দত্ত ও পল ভ্যান মেকেরেন দুটি করে উইকেট নেন।

 

news