অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে দুরন্ত একাদশকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট কেটে নিল দুর্বার একাদশ। এর আগে প্রথম ম্যাচে ধুমকেতু একাদশকে হারিয়েছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ফাইনালে এখন দুর্বার একাদশের প্রতিপক্ষ ধুমকেতু একাদশ।

এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে দুরন্ত একাদশ তোলে ১৪৫ রান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্বার একাদশ ৭ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে। দলের জয়ের নায়ক ছিলেন মাহমুদুল হাসান জয়, যিনি খেলেছেন ম্যাচজয়ী ৫৮ রানের ইনিংস। — ডেইলি ক্রিকেট

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে দুরন্ত একাদশকে ব্যাট করতে পাঠান শান্ত। তবে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি দুরন্তর। ওপেনার জিসান আলম শূন্য রানে ফিরে যান। অন্য ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রবিন, তিনে নামা জওয়াদ এবং চার নম্বরে আজিজুল হাকিম তামিম—সবাই ফিরেছেন এক অঙ্কের রানে।

দলের হাল ধরেন পাঁচ নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম। দুর্বারের বোলারদের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করলেও ফিফটির আগে থামতে হয় তাকে। ৩২ বলে ৪১ রান করেন আরিফুল। তার সঙ্গে দারুণ সঙ্গ দেন এসএম মেহরব হোসেন, যিনি ২৩ বলে ৩৬ রান করেন। শেষদিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ৯ বলে ১৮ রানের ক্যামিও ইনিংসে কিছুটা ভর পায় দুরন্ত।

দুর্বারের বোলিংয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন খালেদ আহমেদ। ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন তিনি। দুটি উইকেট নেন হাসান মাহমুদ।

রান তাড়ায় দুর্বার একাদশকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও হাবিবুর রহমান সোহান। বিশেষ করে জয় ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। সোহান ১৭ বলে ১টি বাউন্ডারি ও ৫টি ছক্কায় করেন ৩৯ রান।

নাজমুল হোসেন শান্ত বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ৯ বলে ৫ রান করে ফেরেন তিনি। জয় ফিফটি তুলে নিলেও দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি। সাকলাইনের বলে আউট হওয়ার আগে ৫১ বলে ৫৮ রান করেন তিনি। শেষদিকে নুরুল হাসান সোহান ২৪ বলে অপরাজিত ২৮ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। দুরন্তর হয়ে সাকলাইন ৩.৩ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট।

 

Walton Ads